সারাদেশে করোনা আতঙ্ক। মানুষের মনে ভয়। জনসমাগম এড়িয়ে চলার নির্দেশনা এসেছে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। এরই মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশেনর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে মসজিদে জুমা- নামাজের জামাত সীমিত করতে। তবে এ সীমিত পরিসর সাধারণ মানেুষের কাছে এখনো পুরোপুরি বোধগম্য নয়। তাই এ বিষয়টা খোলাসা করতে আওয়ার ইসলাম মুখোমুখি হয়েছে রাজধানী কুড়িলের জামিয়া শায়েখ যাকারিয়া ইসলামি রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক, দেশের বিশিষ্ট ফেকাহবিদ, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ হাফিজাহুল্লাহর। তার সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের বিশেষ প্রতিনিধি সুফিয়ান ফারাবী।
আওয়ার ইসলাম: ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জুমাসহ সকল নামাজ সংক্ষিপ্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর ব্যখ্যা কী ?
মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ: বর্তমানে সারা পৃথিবীতে করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। এর প্রেক্ষিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে দেশের আলেমগণকে একসাথে ডেকেছে।
সেখানে দেশের শীর্ষ আলেমগণ মতামত ব্যক্ত করেছেন। এর প্রেক্ষিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ওলামায়ে কেরামের আহ্বান নামে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। তবে বিজ্ঞপ্তিটি সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে এর ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
প্রথম কথা হচ্ছে মসজিদ চালু রাখা অর্থাৎ মসজিদের ভিতরে জামাত হওয়া ফরজে কেফায়া। কোন এলাকার মানুষ যদি মসজিদে জামাত বন্ধ করে দেয়, কেউ যদি নামাজ আদায় না করে তখন সকলের ফরজ ছেড়ে দেওয়ার গুনাহ হবে।
এজন্য কোনক্রমেই মসজিদে জামাত বন্ধ করা যাবে না। কিন্তু সতর্কতা ও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়, কিছু কিছু মানুষদের মসজিদে গমনাগমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যেতে পারে। শরিয়তের বিধি-বিধান বিবেচনায় বর্তমানে কারো জন্য মসজিদে আসা অবৈধ। আবার কারো জন্য মসজিদে আসা না আসার সুযোগ রয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যাদের মসজিদে যাওয়া অবৈধ-
১। যারা করোনাভাইরাসে সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত। ২। যাদের শরীরে করনা ভাইরাসের উপসর্গগুলো দেখা দিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সুনিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যারা মসজিদে না গিয়ে ঘরে নামাজ আদায় করবে (রুখসত)-
১। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, পূর্ব থেকে নানান রোগে আক্রান্ত, অথবা অসুস্থ হলে সহজে সেরে উঠে না, এরকম মানুষ মসজিদে আসবেনা। কারণ তারা সংক্রমিà¦