আওয়ার ইসলাম: এই সময়ে বাড়ির বাইরে যাওয়া অপরাধ বলে গণ্য হচ্ছে। তারপরও যদি জরুরি প্রয়োজনে যেতেই হয়, অবলম্বন করতে হবে কঠোর সতর্কতা যাতে বাইরে থেকে ভাইরাস নিয়ে আপনি বাড়িতে ঢুকে না পড়েন। এ রকম কিছু হয়ে গেলে এতোদিন ধরে বাড়িতে বন্দি থাকার সব কষ্টই পণ্ডশ্রমে পরিণত হবে। ১০টি নিয়ম মেনে চললে বাড়িতে ভাইরাস ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
১. একান্ত প্রয়োজনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাইরে যান
খাবার কেনার জন্য, ওষুধ কেনার জন্য বা এ ধরনের একান্ত প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাইরে যান। নিরাপত্তা বলতে সঠিক পদ্ধতিতে সঠিক মাস্ক পরুন, গ্লাভস পরুন। চোখ-মুখ নিরাপদ থাকে এমন ব্যবস্থা নিন। এই সব ক্ষেত্রে পিপিই’র মতো পেশাদার চিকিৎসকদের উপকরণ প্রয়োজন নেই। কিন্তু যথেষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
২. সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন
বাইরে গিয়ে লোকজনের সাথে আড্ডাবাজিতে মোটেও বসবেন না। আপাতত বাংলাদেশে বাসার বাইরে যে কোনো ধরনের আড্ডাবাজি অপরাধ বলে গণ্য হচ্ছে। কারণ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে চলাফেরা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আড্ডাবাজিতে এ ধরনের নির্দেশনা মেনে চলা সম্ভব নয়। দোকানে লাইনে দাঁড়ালে সামনে ও পেছনের লোকের সাথে দূরত্ব রেখে দাঁড়ান। অন্যদেরও একই পরামর্শ দিন।
সুপারশপে বাজার করতে গেলে যে ট্রলি ব্যবহার করা হয়, আপাতত পরিহার করুন। প্রয়োজনে নিজস্ব প্লাস্টিকের ট্রলি ব্যবহার করুন। এই ধরনের ট্রলি ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারলে নিজস্ব বাজারের ব্যাগ ব্যবহার করুন। যা একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া সম্ভব।
৪. বাইরে থাকা অবস্থায় মুখমণ্ডলে হাত স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রধান মাধ্যম হলো হাত। হাত দিয়ে আমরা যখন, নাক, চোখ স্পর্শ করি, হাতে জীবাণু থাকলে তখনই তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। সুতরাং বাইরে থাকা অবস্থায় নাকে-মুখে হাত দেওয়া মারাত্মক বিপজ্জনক। নাক-মুখ-চোখ স্পর্শ করা বাদ দিন। চুলকালে জীবাণুমুক্ত টিস্যু ব্যবহার করুন।
৫. ফোন, ব্যাগ যেখানে সেখানে রাখা বাদ দিন
বাজার করতে করতে হাতের ব্যাগটা ভারী হয়ে গেলে আমরা যেখানে সেখানে রেখে দেই। কিন্তু এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত বাজে পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। এ ছাড়া হাতের ফোনটাও যখন তখন যেখানে সেখানে রাখার অভ্যাস আছে অনেকের। এই ধরনের অভ্যাস ত্যাগ কà¦