সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


মারেফুল কুরআন ও তাফহিমুল কুরআন নিয়ে বিভ্রান্তি: খান সাহেবের শাগরিদের সমাধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা খালেদুজ্জামান

গতকাল থেকে সৌদি সরকার কর্তৃক প্রকাশিত মাওলানা মুহিউদ্দিন খান রহ. অনুদিত ও সম্পাদিত সংক্ষিপ্ত তাফসীরে মা'আরেফুল কোরআন নিয়ে একটি অশ্রুতিপূর্ব ভিত্তিহীন লেখা চাউর হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, সৌদি সরকার বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানদের জন্য একটি বাংলা তাফসীর ছাপানোর উদ্যোগ গ্রহন করলে জামাতে ইসলামীরা মাওলানা মওদুদীর তাফহীমুল কুরআন ছাপানোর জন্য সৌদি সরকারকে প্ররোচনা দেয়।

সৌদি সরকার তাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়ে তাফহিমুল কুরআন ছাপানোর উদ্যোগ নেয়। এমতাবস্থায় মুফতী অাব্দুর রহমান রহ. জামাতে ইসলামীর কর্মকৌশল সম্পর্কে অবগত হয়ে মুফতী মিযানুর রহমান সাঈদ দা বা কে দিয়ে সৌদি সরকারকে বুঝাতে সক্ষম হয় যে তাফহিমুল কুরআন আকীদাগত অনেক বিভ্রান্তি আছে। পরে তাদের প্রস্তাবে সৌদি সরকার তাফসীরে মা'আরেফুল কোরআন ছাপানোর উদ্যোগ নেয়।

দীর্ঘ ছয়টি বছর মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ এর সংস্পর্শে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়ে থাকার আমার সৌভাগ্য হয়েছে। জীবনের পড়ন্ত বেলায় মাওলানা খান সাহেব রহ আমাকে পাশে বসিয়ে ঘন্টাব্যাপি অনেক ইতিহাস বলেছেন। কিন্তু তাফসীরে মা'আরেফুল কোরআন ছাপানো সম্পর্কে গতকালের এই তথ্য তাঁর কাছে কোনোদিন শুনেনি। অথচ তিনি এ সম্পর্কে বিস্তারিত আমাকে বলেছিলেন।

দ্বিতীয়ত যারা মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ কে চিনেন তারা খুব ভালো করে জানেন তিনি মানুষের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে মূল্যায়ন করতেন। মুফতী মিযানুর রহমান সাঈদ দা বা এর এ বিষয়ে কোনো অবদান থাকলে তিনি অবশ্যই বলতেন। অথচ তিনি তাকে তেমন গভীরভাবে চিনতেন না। আমার স্পষ্ট মনে আছে একদিন শুধু কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন "মুফতী অাব্দুর রহমান সাহেবের ওখানে কালো করে একটা নোয়াখালীর ছেলে থাকে। আমার কাছে খুব কর্মঠ ও যোগ্য বলে মনে হল"। আমি বললাম, উনার নাম মুফতী মিযানুর রহমান সাঈদ। তিনি বললেন, "নাম জানি না। কিন্তু আমি গেলে দেখি ভালোই কর্মতৎপরতা দেখায়"।

মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ তখন রাবিতাতুল আলম আল ইসলামির কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। সৌদি সরকারের তিনি রয়েল প্যালেসের দূর্লভ সম্মান পান। বাংলাদেশে তখন মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ এর চেয়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে এত গভীর প্রভাবশালী সম্পর্ক অন্য কোনো আলেমের ছà¦