রফিকুল ইসলাম জসিম
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট>
করোনা মহামারি মোকাবিলায় দেশে এখন সাধারণ ছুটি চলছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ রপ্তানিমুখী সব শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। কিন্তু, ছুটি পাননি চা শ্রমিকরা। তাই বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চা-বাগানে কাজ করছেন চা শ্রমিকরা। চা শ্রমিক নেতাদের অব্যবস্থাপনা ও উদাসীনতাকেই দায়ী ও চা বাগানগুলো খোলা রেখে প্রশাসনিকভাবে লকডাউন ঘোষণা
একটি অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত মনে করেছেন।
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দশম বৃহৎ চা উৎপাদনকারী দেশ আর রপ্তানিতে নবম। বর্তমান দেশে ভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ২৬ মার্চ/২০২০ থেকে সরকারি-বেসরকারী,কারখানা বন্ধ রয়েছে। তবে, এমন পরিস্থিতিতে
দেড় শতাধিক চা বাগান খোলা রেখে সিলেট বিভাগের সকল জেলা স্ব স্ব প্রশাসনের নির্দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এতে চা বাগানে স্থায়ী ও অস্থায়ী প্রায় দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক পরিবারের প্রায় ১২ লাখের বেশি চা জনগোষ্ঠী করোনা ঝুঁকি রয়েছেন বলে দাবী করছে চা জনগোষ্ঠীরা।
নাজারেথ তেলুগু ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ও , সিলেট জেলা ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ফেলোশিপে সম্পাদক মিখায়েল পিরেগু
বাংলাদেশের সকল চা শ্রমিকদের পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট অনুরোধ সহকারে জোর দাবি জানায়- যাথাক্রমে, অন্তত ১ মাসের রেশন অগ্রিম প্রদান করা সহ মজুরি চলমান রেখে অনতি বিলম্ভে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি রোধে চা শ্রমিকদের ছুটি প্রদান করা হোক।
চলমান পরিস্থিতির সংকট মোকাবেলায় ইলেকট্রিক বিল সহ অন্যান্য সকল কমিশন মজুরি হতে কর্তন বন্ধ রাখা। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা রয়েছে। চা বাগানের চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসা ব্যবস্থার মান উন্নত করে করোনা ভাইরাস ঝুকি রোধে চা শ্রমিকদের সচেতন করা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। সরকার ঘোষিত প্রণোদনার আওতায় অবহেলিত চা শ্রমিকদের যুক্ত করে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করা। কারণ চা শ্রমিকদের অনাহারে রেখে উন্নত দেশের মান কোনদিন ধরে রাখতে পারে না সরকার।
এছাড়াও চা শ্রমিক সন্তানদের সংগঠন জাগরণ যুব ফোরামের সভাপতি মোহন রবিদাস বলেন, গত শুক্রবার এ দাবি নিয়ে একযোগে ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনেসহ মোট ১৩টি স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
মোহন রবিদাস বলেন তাদের দাবিকৃত ৯ দফা যথাক্রমে, চা বাগানে বসবাসরত সকল জনগোষà§