ওমর ফারুক
বিশেষ প্রতিবেদক>
সংকটে বিশ্ব, মানবজাতি ও সব রাষ্ট্র। হঠাৎ করোনার হানা পুরো বিশ্বকে অচল করে দিয়েছে। নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। সারা বিশ্বের স্বাস্থ্যব্যবস্থা যে পর্যাপ্ত নয়, তাও বুঝিয়ে দিচ্ছে। ভাইরাসটি মানছে না ধর্ম, বিশ্বাস, অর্থবিত্ত ও লিঙ্গের ভেদাভেদ। শুধুমাত্র সৃষ্টিকর্তার দিকে তাকিয়ে পুরো মানবজাতি।
এই অসহায় অবস্থায় শুধু স্বাস্থ্য বিজ্ঞানেই নয়, মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে, জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায়। পূর্বের মতামত থেকে ফিরে আসছে, ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করছেন বিজ্ঞজনেরা।
বৈশ্বিক মহামারির করুণ পরিস্থিতিতে ইসলামি ফিকহের মাঝেও দেখা দিয়েছে নানা ধরনের মতপার্থক্য। কোথাও বেশি, কোথাও কম। কোথাও প্রকাশ্যে, কোথাও আড়ালে।
আলেমরা বলছেন, সংকটের মুহূর্তে মতপার্থক্যের দিকে না তাকিয়ে সংকট নিরসনে উদ্যোগী হওয়া দরকার। এবং যেকোন একটি সিদ্ধান্ত জাতির সামনে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মুশতাক আহমেদ বলেন, সংকটের সময়ে সংকটকেই অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সংকটের সময় বৃহত্তর কল্যাণের চিন্তা মাথায় রাখতে হবে।
যেভাবে মানবতার কল্যাণ হবে, সেভাবে মতামত ব্যক্ত করতে হবে। সংকটের সময়ে দু'ধরনের কথা বলা হলে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এজন্য যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত বলবৎ রাখা প্রয়োজন। একাধিক কোন মতামত দেয়া ঠিক হবে না।
চট্টগ্রাম ওমর গনি কলেজের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন মনে করেন, সাময়িক একটি ইস্যুতে দেখেছি পাকিস্তানের সমস্ত ওলামায়ে কেরাম একমত হয়ে সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন, বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। সংকটের মুহূর্তে ইখতিলাফ সামনে না এনে, সকল মতাদর্শের লোকদেরকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে পাকিস্তানের সর্বমহলের ওলামায়ে কেরাম যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা খুবই পছন্দনীয় ও অনুসরণীয় একটি বিষয়।
আমাদেরকে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। কিন্তু বিভক্তি তৈরি হলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
যে সমস্ত বিষয়গুলো গবেষণার দাবি রাখে, সেখানে ভিন্নমত হতেই পারে। কিন্তু সিদ্ধান্ত হবে একটি। একাধিক সিদ্ধান্ত জাতির সামনে উপস্থাপিত হবে না।
একই বিষয়ে কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের খতিব ও আল নূর কালচারাল সেন্টার কাতারের নির্বাহী পরিচালক মাওলানা