সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


'দীর্ঘ মেয়াদে শিক্ষার ধারাবাহিকতা না থাকা করোনার মতোই আরেক বিপর্যয়!'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

করোনা পরিস্থিতি উন্নতি না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ঘোষণা দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা কোনো ধরনের ঝুঁকি নেব না। এখন আমরা আর স্কুল-কলেজ খুলছি না। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। দেখা যাক করোনাভাইরাস কী হয়। যখন এটা থামবে তখন আমরা খুলব।

এ পরিস্থিতিতে দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অজানা এক অন্ধাকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একদিকে মনঘাতী করোনা। আর অন্য দিকে অশিক্ষার ভয়। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তায় গবেষকরা। এ বিষয়ে খ্যাতিমান আলেম গবেষক ও কবি মুসা আল হাফিজ’র সাথে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের ডেপুটি এডিটর আবদুল্লাহ তামিম।


আওয়ার ইসলাম: করোনাকালে বাংলাদেশে শিক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে কী ভাবছেন?

মুসা আল হাফিজ: বাংলাদেশ এখন এক ক্রান্তিকালে আছে। শিক্ষা এখানে পরিবর্তনের চালিকাশক্তি। আমাদের অর্থনীতি কিংবা জীবন ও জীবনমান গভীরভাবে শিক্ষার সাথে যুক্ত।

শিক্ষাই এদেশে সবচে' সম্ভাবনার জায়গা এবং প্রয়োজনের জায়গা। কিন্তু করোনাকাল শিক্ষার মধ্যে যে বিপর্যয় নিয়ে এসেছে, সেটা অপূরণীয়। কারণ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার মধ্যে ধারাবাহিকতা না থাকা একটি বড় বিপর্যয়। কিন্তু করোনায় আমরা এ বিপর্যয় মেনে নিচ্ছি। এটা এক ধরণের পরাজয়।

আওয়ার ইসলাম: এটাকে বিপর্যয় বলছেন কেন?

মুসা আল হাফিজ: দেখেন, বাংলাদেশে যত শিক্ষার্থী আছে, তাদের সংখ্যাটা গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর ২০০ টি দেশে মোট নাগরিকের সংখ্যা বাংলাদেশের মোট শিক্ষার্থীদের সংখ্যার চেয়ে কম।

এতো বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী আছে, এটা এক দিক। আরেক দিক হলো, বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তির অভাব। বিশেষজ্ঞ ও প্রাজ্ঞদের অভাব। যদি তা না হবে, তাহলে দক্ষ বিদেশীরা কেন আমাদের দেশের কাজ নিয়ে নিচ্ছেন? প্রতি বছর শুধু বিদেশী বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শদাতাদের ফি বাবদ দিতে হয় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। শুধু এই টাকা দিয়ে এ দেশের ১৫ লাখ বেকারকে মাসে ২০ হাজার টাকা বেতনের চাকুরি দেয়া যায়।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, বেকারত্ব যতটা সমস্যা, তার চেয়ে বড় সমস্যা হলো জ্ঞানদক্ষতা। ওটার অভাব দেশীয়দের মধ্যে আছে বলেই বিদেশীরা সবকিছুতে জেকে বসছেন, তা আমি বলছি না। কিন্তু জ্ঞ