সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


সরকারী অনুদান গ্রহণে আলেমদের মত-ভিন্নমত! সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য বিকল্প কী?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হুমায়ুন আইয়ুব
সম্পাদক, আওয়ার ইসলাম>

করোনা পরিস্থিতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। কর্মহীন হয়ে পড়ায় চরম অর্থাভাবে পড়েছে দেশের নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ ছুটি চলায় অর্থনৈতিকভাবে চরম সংকটে পড়েছে মানুষ।

এ সংকটের কবলে পড়েছে কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের পরিবারও। অধিকাংশ শিক্ষকের বক্তব্য, তারা বেতন পাচ্ছেন না মাদরাসার কর্তৃপক্ষ থেকে। এদিকে এ অসহায় অবস্থাতেও  হাত পেতে চাইতে পারছেন না চক্ষুলজ্জার ভয়ে।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারি অনুদান গ্রহণ করা না করা নিয়ে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে অভিমত। কেউ বলছেন সরকারি অনুদান গ্রহণ কওমি মাদরাসার ঐতিহ্য পরিপন্থি। আবার কেউ বিবেচনা করছেন, সারাজীবন সরকারকে কর দিয়েও অন্তত আপদকালীন সময়ে সামান্য অর্থ সহযোগিতা কেন পাবে না শিক্ষকরা?

সরকারি অনুদান গ্রহণ কওমি মাদরাসার ঐতিহ্য পরিপন্থি: মাওলানা মামুনুল হক

সিনিয়র মুহাদ্দিস জামিয়া রাহমানিয়া। তিনি বলেন, আপৎকালীন সময়ে রাষ্ট্র তার সর্বশ্রেণীর মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে, ভূমিকা পালন করবে -এটা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। এ ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানোর প্রয়োজন। তাই আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। এ মন্তব্য সরকারের দিক থেকে বিবেচনা করে বলছি।

তবে কওমি মাদরাসার চিন্তাটা কওমি মাদরাসার মতো করেই করতে হবে। সরকারিভাবে যেকোনো ধরনের অনুদানের সঙ্গে অনেক বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকে। সরকারি অনুদান না নেয়া কওমি মাদরাসার ঐতিহ্য। এটাকে কোনোভাবে গুরুত্বহীন বা দুর্বল করার সুযোগ নেই। বরং গণমানুষের সাহায্য-সহযোগিতা নির্ভরতার যে পদ্ধতি প্রচলিত আছে সেটাকেই বহাল রাখতে হবে যেকোনো মূল্যে।

সরকারি সহযোগিতা কওমি মাদরাসায় অফিশিয়ালি আসা শুরু হলে, দুটি সমস্যা হতে পারে।

প্রথম সমস্যা সরকারি অফিশিয়াল সিস্টেমের বিভিন্ন গেরাকলে পড়ে যাবে মাদরাসাগুলো। পর্যায়ক্রমে মাদরাসা সরকারি বিভিন্ন সিস্টেমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে।

যে সমস্ত জায়গায় সরকার অর্থায়ন করে থাকে সেখানে নজরদারি ও হস্তক্ষেপের স্কোপ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। তাই আমি মনে করছি এর মাধ্যমে কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা নষ্ট হওয়ার একটি পথ উন্মুক্ত হতে পারে।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো সরকার যখনই কোন অনুদান দিবে স্বাভাবিকভাবে à