সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


নিরবে কাঁদছে মধ্যবিত্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিক।।

একুশ শতকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগ ভয়াবহ এক এক অদৃশ্যমান বিপদের মধ্যে সারাবিশ্বে দিনাতিপাত করছে। বিশ্বে মহামারী কোভিড-১৯ এর ভয়াল থাবায় স্থবির হয়ে আছে প্রত্যেকটি জনপদ। সারা বিশ্বে লাশের মিছিল হচ্ছে। মৃত্যু আজ ঘরের দরজায় এসে কড়ানাড়ছে। ঘর থেকে বের হলে মনে হয় মৃত্যু এসে গ্রাস করবে। বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তবুও চিকিৎসা বিজ্ঞান আজ ব্যর্থ। বিজ্ঞ চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা শত চেষ্টা করেও করোনা ভাইরাসকে পরাস্ত করতে পারছে না। কমছে না মৃত্যুর মিছিল। প্রতিদিন লাশ হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ অন্যদিকে রয়েছে অর্থনৈতিকভাবে অচল হয়ে খাবারের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন এবং বিশ্বের কয়েক কোটি মানুষ কর্ম হারিয়ে বেকার। ফলে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে।

কোভিড-১৯ চীন উৎপত্তি হয়ে ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কঠিন আঘাত হেনেছে। মহাশক্তিধর রাষ্ট্রের পাশাপাশি স্বল্পন্নোত এবং নিন্ম আয়ের দেশগুলোর ওপর আঘাত হেনেছে। বিশ্বের প্রতিটি দেশে ঘোষিত ও অঘোষিত লকডাউন চলছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য সবাইকে ঘরে থাকতে হচ্ছে। ঘর হলো সবচাইতে নিরাপদ জায়গা। কিন্তু অনেক মানুষ ঘরে থাকার পরেও স্বস্তিতে থাকতে পারছে না। পরিবারের দৈনন্দিন প্রয়োজনগুলো মেটানোর দুঃচিন্তা তাদের কে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছেনা। করোনার মহামারিতে সবচাইতে দুঃচিন্তাগ্রস্থ হলো নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। ধনী-গরীব, রাজা- প্রজার ফারাক জানে না নোভেল করোনা ভাইরাস। করোনায় গরিবের স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে যোগ হয়েছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতাও।

বাংলাদেশে নিন্ম বিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচাইতে বেশি। দেশের ক্রান্তিকালে এই দুই শ্রেণির মানুষের দুঃখ দুর্দশা সবচাইতে বেশি। নিন্ম বিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের সারা বছর কাজ থাকেনা। যারা দিন আনে দিন খায় তাঁদের হাতে আয় বা সঞ্চয় থাকে না। বছরের নির্দিষ্ট কিছু মাস কাজ করার পর সারা বছর ঘরে বসে বসে খেতে হয়। সঞ্চয় শেষ হলে পেটের তাগিদে আবার কাজে নামতে হয়।

ধার দেনা করে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হয়। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সামাজিক মর্যাদার কথা চিন্তা করে নিজেদের অভাব অনটনের কথা প্রকাশ করার মত কোন উপায় ও থাকেনা। কিন্তু তাদের কপালে বাড়ছে-দুশ্চিন্তার ভাঁজ। লোক চক্ষুর অন্তরালে নিরবে নিভৃতে নির্জনে অশ্রু বিসর্জন দিতে হচ্ছে তাদের। করোনার চেয়ে ভয়ংকর যন্ত্à¦