সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


করোনা পরিস্থিতিতে শামসুল উলূম মাহমুদিয়ার মুহতামিমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা দুর্যোগের এই সময়ে দেশের প্রায় প্রতিটি সেক্টরে বিরাজ করছে অর্থনৈতিক মন্দা। এর প্রভাব পড়েছে দেশের কওমি মাদরাসাগুলোতেও।

যারা বিভিন্ন সময়ে মাদরাসাগুলোতে দান-অনুদান দিতেন, তাদের অর্থ আয়ের উৎসগুলো বন্ধ থাকায় তারাও মাদরাসাগুলোতে অর্থ দিতে পারছেন না। তাই বিভিন্ন মাদরাসার মতো আশুলিয়ার জামিয়া ইসলামিয়া শামসুল উলুম মাহমুদিয়া মাদরাসাতেও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

এ নিয়ে মাদরাসার অর্থনৈতিক মন্দার কথা তুলে ধরে মুহতামিম মাওলানা মুফতী মাসুম আহমাদ ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য মাওলানা মুফতী মাসুম আহমাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস টি তুলে ধরা হলো-

দেখতে দেখতে দুই বছর পেরিয়ে গেলো। সময়ের চাকা অনবরত ঘুরছে। তার কাজ ঘোরা, সেতো ঘুরবেই।
জামিয়া ইসলামিয়া শামসুল উলুম মাহমুদিয়া (মাদরাসা)। একটি নাম, একটি ইতিহাস।

মরহুম ও বর্তমান মহান দুই বুজুর্গের বরকতি নামে চালচুলোহীন অবস্থায় ছোট্ট মাদরাসাটির যাত্রা আরম্ভ হয়েছিলো। শুরুর দিন থেকেই নুরানি মকতব (প্রি প্রাইমারি) থেকে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত যার পরিধি। দুরুদুরু মনে পথ চলা শুরু করেছিলাম। প্রথম সবক শাইখুল হাদিস ফক্বিহুল উম্মাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান দা. বা. -এর বরকতি হাতে। শেষ সবকও একই ভাবে।

ঢাকার উত্তরের বারান্দা বলা হয় আশুলিয়াকে, তারই এক গহীন কোন গোমাইল গ্রামে মাদরাসার অবস্থান। একাধিকবার গিয়েও খুঁজে বের করা দুষ্কর, আল্লাহর উপর ভরসা করে সেখানেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে দ্বীনের এই বাতিঘর।

ছাত্র সংখ্যা গেলো শিক্ষাবর্ষে ছিলো পাঁচশো। নতুন শিক্ষাবর্ষে আরো বাড়তে পারে; যদিও যারা আছে তাদেরই নাওয়াখাওয়া ঘুম ঠিকঠাক জোটা কঠিন। বাঁশ টিনের ঘরগুলো ছাত্র-শিক্ষকদের নিজ হাতে বানানো।তাই বোধহয় খানিকটা মায়া জন্মে গেছে। কেউ ছেড়ে যায়না। প্রায় সবাই আবাসিক।

শিক্ষক স্টাফ ২৫ জন। বেশিরভাগ শিক্ষক স্টাফ মাদরাসার জন্মলগ্ন থেকেই আছেন। রাতদিন নববী আদর্শ শেখা শেখানোয় সদা তৎপর সবাই। সাধ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে যাচ্ছেন অবলীলায়।

সীমাবদ্ধতার কোন অন্ত নেই। এর ভিতর দিয়েও প্রথম বছর ১০ জন এবং দ্বিতীয় বছরে ১৫ জন ছাত্র দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সম্পন্ন ক