সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


শাওয়ালের ছয় রোজার হেকমত ও ফজিলত।

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুুফতি রুহুল আমিন (বাবা হুজুর)।।
মুহাদ্দিস, জামেউল উলুম মাদ্রাসা মিরপুর ১৪ ঢাকা।

রহমত,নাজাত আর মাগফিরাতের বার্তা সম্বলিত মহিমান্বিত মাহে রমজান আমাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছে।মুসলমানদের জন্য এমাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময়। এ মাসকে পাওয়ার জন্য মুমিন-হৃদয় সদা সর্বদা ব্যাকুল হয়ে থাকে। পরম সমাদরে মুসলমানরা এ মাসকে বরণ করে। এ মাসকে কেন্দ্র করে পৃথিবীজুড়ে পবিএতার পরশ বয়ে যায়।সবার মাঝে কাজ করে একধরনের মুগ্ধতা ও ভালবাসা । এ মুগ্ধতা পবিএতার। এ মুগ্ধতা ভালবাসা ও হৃদ্যতার।

রহমত,নাজাত আর মাগফিরাতের এ মাসকে পাওয়ার জন্য স্বয়ং রাসূলে কারীম (সা:) দুআ-মুনাজাত করেছেন।হাদীস শরীফে এসেছে রাসূলুল্লাহ (সা:)রজব এবং শা'বান এ দু’মাসে রমজানকে বরণ করে নেওয়ার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহন করতেন। আল্লাহর কাছে এই বলে দুআ’-মুনাজাত করতেন,আয় আল্লাহ!আমাদেরকে রজব এবং শা’বানে বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজানে পৌঁছিয়ে দিন।
এতেই বুঝা যায় মুসলমানদের এবং ঈমানদারদের জন্য রমজান মাস কতটা গুরুত্ব ও ফজীলতপূর্ণ।

বহু কাঙ্ক্ষিত, অপেক্ষিত ও ফযীলতপূর্ণ এই রমজান মাস ইতিমধ্যেই আমাদের থেকে বিদায় নিয়েছে ।ঈদুল ফিতর উদযাপনের মাধ্যমে রমজান পরবর্তী 'শাওয়াল' মাস আমাদের মাঝে আগমন করেছে। এ মাসটিও মুসলমানদের জন্য খুবই গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ ।

শাওয়াল মাসের এই গুরুত্ব ও তাৎপর্যের পিছনে রয়েছে নানাবিধ কারণ। শাওয়াল হলো হিজরী সন তথা আরবি চান্দ্র বছরের দশম মাস।
এ মাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে রোজা ও রমজানের। এ মাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে সদকা ও যাকাতের। এ মাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে ঈদুল ফিতর এবং সাদকাতুল ফিতরের। এছাড়া এ মাসের সঙ্গে হজ্বেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে।কেননা এটি হজ্বের তিনমাস তথা --শাওয়াল, জিলকদ এবং জিলহজ এর প্রথম মাস।

বিজ্ঞজনদের মতে শাওয়াল যেহেতু আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো: উন্নত ভূমি;উঁচু করণ;উন্নতকরণ; পূর্ণতা লাভ করা;পাল্লা ভারী হওয়া। সুতরাং এই মাসের আমলের দ্বারা উন্নতি ও অগ্রগতি লাভ হয়; নেকির পাল্লা ভারী ও সমৃদ্ধ হয়; গৌরব ও সফলতা অর্জিত হয়।

শাওয়াল মাসের বিশেষ আমল ও ছয় রোজার ফজিলত:

অন্যান্য আমলের পাশাপাশি এ মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে এ মাসে ছয়টি রোজা রাখতে হয়।কোন কোন এলাকায় এই ছয় রোজাকে "সাক্ষী রোযা"ও বলে থাকে। এই ছয় রোযা রাখা সুন্নাত বা মুস্তাহাব তবে এর সওয়াব ও ফযীলত অপরিসীম। রাসূলে আকরাম (সা:) নিজে এই রোযা রেখেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে (