সুফিয়ান ফারাবী।।
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট>
করোনা পরিস্থিতিতে বন্ধ দেশের সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সংক্রমনের এই মুহূর্তে স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি, জামেআ সবকিছুই এই মুহূর্তে বন্ধ। প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ।
গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে মাধ্যমে ৩০ মে'র পর সাধারণ ছুটি বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ১৫ জুনের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না। গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে আলাদা সিদ্ধান্ত হবে।
তার বক্তব্যের পর কিছুটা আশার আলো দেখা দিয়েছিল বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা অঙ্গনে। অনেকে ভাবতে শুরু করেছিলেন হয়তো ১৫ জুনের পরে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হবে।
কিন্তু এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের আবারো চিন্তায় ফেলে দেয়।
পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়া হবে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। সুতরাং এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা করছে না সরকার।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, তোমরা ঘরে পড়াশোনা চালিয়ে যাও। সময়টাকে কাজে লাগাও। এই সময়টাকে অপচয় করো না।
সরকারপ্রধানের মুখে এমন কথা শুনে অনেক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৫ জুনের পর কোনক্রমেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না। বরং পরিস্থিতি উন্নতির উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সরকার ও প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে গত তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না দেশের অধিকাংশ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকরা। অন্য কোনো আয়ের উৎস না থাকায়, যায় যায় অবস্থা তাদের পরিবারে।
নারায়ণগঞ্জের একটি মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা জুনায়েদ (ছদ্মনাম)। পেশাগত জীবনের শুরু করেছেন যে মাদ্রাসা থেকে আজ অবধি সেখানেই রয়েছেন। মাদ্রাসার জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়েছেন। যার ফলে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ তাকে মাদ্রাসার উন্নয়নের লক্ষ্যে ভাইস প্রিন্সিপাল পদে পদায়ন করেন।
সারাজীবন মাদ্রাসার জন্য কষ্ট করেছি। শুধুমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য। এখনো মাদ্রাসার চিন্তা নিয়ে