সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘সৌদিআরবে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা দেশে ফিরতে চায়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাহফুজ আহমাদ।।

সৌদি আরবের আন্তর্জাতিকমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্কলারশীপ নিয়ে পড়াশোনা করছে প্রায় পাঁচশত বাংলাদেশী মেধাবী শিক্ষার্থী।

মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, উম্মুল কোরা, কিং সাউদ, কিং আব্দুল আজিজ,দাম্মাম ইউনিভার্সিটি সহ প্রায় ১১টি শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে।

এরমধ্যে সবচেয়ে বেশী শিক্ষার্থী রয়েছে মাদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে বিশ্বের একশত নব্বইটি দেশের বিশ হাজার ছাত্র পড়াশোনা করছে। যার মধ্যে বাংলাদেশি ছাত্রের সংখ্যা প্রায় তিনশো। সৌদিআরব বিশ্বের একমাত্র দেশ; যেখানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি মুল্যায়ন করা হয়। সম্পুর্ণ ফুল-ফ্রি স্কলারশীপের আওতায় ছাত্রদের থাকা খাওয়া, ভাতা ও রেজাল্ট ভিত্তিক আকর্ষণীয় বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা সহ প্রতিবছর দেশে একবার আসা যাওয়ার সুবিধা দিয়ে থাকে সৌদি সরকার।

গত মার্চে সৌদি আরবে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে থেমে যায়নি ইউনিভার্সিটিগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম। অনলাইন জুম এপ, ব্লাকবোর্ডসহ বিভিন্ন এপের মাধ্যমে ক্লাস অব্যাহত রাখা হয়। লকডাউনের ভেতর দিয়ে অনলাইনেই এসাইনমেন্ট, থিসিসসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ পরিচালনা করেছে।

সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল থেকে নিয়ে ১২ মে ২০২০ পর্যন্ত সকল বিভাগের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অনলাইন এপ দ্বারা সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় অথোরিটি।

সৌদি আরবের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত রমজান মাসসহ প্রায় চারমাস গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকে ; তাই এই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক ছুটি কাটাতে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ দেশে ভ্রমণ করে ।

এবছর বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে রমজানের আগেই লকডাউন চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের দেশের ছাত্রদের ফিরিয়ে নেয়। বিশেষত ইউরোপীয়ান দেশগুলো, কানাডা, ফ্রান্স, লন্ডন ও আমেরিকা এবং রাশিয়াসহ বেশ কিছু দেশের ছাত্ররা গত রমজানের আগেই তাদের নিজ দেশে চলে যায়।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর একে একে প্রায় দেশের ছাত্ররাই তাদের দেশে চলে গেছে ও যাচ্ছে। ছুটিতে শিক্ষার্থীরা নিজ দেশে যাতায়াতের জন্য যে খরচ হয় তা কিন্তু সৌদি সরকারই বহন করে ; তাই তারা তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদেরকে তাঁদের নি