সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘প্রিয় উস্তাদ, মুহাদ্দিসে কাবির, হযরত নোমান আহমদ রহ.: কিছু স্মৃতি, কিছু কথা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মামুনুল হক।।
শাইখুল হাদিস, জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া ঢাকা।

১৯৮৮সালের কথা৷ আমরা হযরত শায়খুল হাদীস রহঃ এর নেতৃত্বে জামিয়া রাহমানিয়ার স্থায়ী নিজস্ব ভূমির সন্ধানে মোহাম্মদী হাউজিং থেকে সাত মসজিদ এলাকায় স্থানান্তর হই৷ ঐতিহাসিক সাত মসজিদ লাগোয়া জমিটি জামিয়ার জন্য কেনার উদ্যোগ নেয়া হয়৷ আর অস্থায়ীভাবে নূর হোসেন সাহেবের নির্মাণাধীন বিল্ডিং এবং সাত মসজিদ সংলগ্ন টিনসেড ঘর তৈরি করে মাদরাসার কার্যক্রম চালানো হয়৷

ঐ সময়ে আমরা নাহবেমীর জামাতে পড়ি৷ টিনসেডের ঘরে বেড়ার পার্টিশন দিয়ে একেক জামাতের জন্য আলাদা আলাদা ঘর তৈরি করা হয়৷ আমাদের বেড়ার অপর প্রান্তেই ছিল জালালাইন জামাতের অবস্থান৷ জামিয়ার জন্য তখন নতুন শিক্ষকের প্রয়োজন৷ রাহমানিয়া মাদরাসায় তখন শিক্ষক রাখার পদ্ধতি ছিল প্রাথমিক তথ্য যাচাই ও মৌখিক ইন্টারভিউয়ের পর মূল পর্ব হলো পরীক্ষামূলক সবক পড়ানো৷ আমরা নিচের জামাতের ছাত্র হিসাবে তত কিছু বুঝতাম না৷

শুধু শুনলাম দারুল উলূম দেওবন্দ থেকে ফারেগ অনেক যোগ্য একজন নতুন শিক্ষক নিয়োগের আলোচনা চলছে ৷ তার সবক জালালাইনে৷ আমরা নাহবেমীর জামাতের ছাত্ররা তত কিছু না বুঝলেও জালালাইনের সেই সবকের আওয়াজ স্পষ্ট শুনতাম৷ আর চমৎকার উপস্থাপনার ভঙ্গি তন্ময় হয়ে উপভোগ করতাম৷ কখনো কখনো এমন সাধও মনে জাগতো, আহা যদি এই উস্তাদের কাছে আমাদের দরস হতো!

কিন্তু আমাদের নিচের জামাতে এত বড় উস্তাদের সবক হবে না মনে করে হতাশ হতা ৷ আর অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকতাম, আমরা যখন উপরের জামাতে উঠব তখন হুজুরের কাছে পড়ব৷

এভাবেই হযরত নোমান সাহেব হুজুরের প্রতি ভিন্ন এক ভালো লাগার অনুভূতি মনে স্থান করে নিয়েছিল৷ হুজুরের পড়ানোর স্টাইল ভালো লাগত তখন থেকেই৷ এরপর তো এক সময় হুজুরের কাছে পড়ার স্বপ্ন পুরন হলো৷ নূরুল আনোয়ার, সুল্লামুল উলূম, শরহে আকাইদ আর সর্বশেষে তিরমিযী শরীফ ২য় খণ্ডের সবক পড়ার সৌভাগ্য হাসিল হলো আলহামদুলিল্লাহ৷

হুজুর লেখালেখি করতেন৷ নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে নতুন প্রজন্মের যে সকল আলেম লেখালেখির জন্য কলম হাতে তুলে নিয়েছিলেন, নোমান সাহেব ছিলেন তাদের অন্যতম৷ বাংলা ইসলামী সাহিত্যের কিংবদন্তি মাওলানা মহিউদ্দিন খান সাহেব এই নবীন প্রজন্মকà