আওয়ার ইসলাম: শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম (শিক্ষাক্রম) পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের উদ্যোক্তরা অনেক ক্ষেত্রে বলে থাকেন, তারা দক্ষ জনশক্তি পাচ্ছেন না। তাই বিদেশ থেকে দক্ষ লোকবল নিয়ে আসতে হয়। আবার চাকরিপ্রার্থীরা অনেক সময় বলে থাকেন, তারা চাকরি পাচ্ছেন না। দুইপক্ষের মধ্যে যে গ্যাপ, তা পূরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী জনশক্তি তৈরি করতে হবে। এ জন্য ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া লিংকেজ খুবই জরুরি।
শনিবার বাংলাদেশ স্টিম (সাইন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স) সোসাইটি আয়োজিত রেজিলিয়েন্স রিকভারি অব ন্যাশনাল ইকোনমি থ্রু সাইন্স টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন ডিউরিং পোস্ট কোভিড-১৯ অ্যারা; শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষাকে শুধু মেধাবীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সকল শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে এসএসসি পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে বিজ্ঞান শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে মাধ্যমিক পর্যায়ে সাইন্স, আর্টস, কমার্স নামে কোনো বিভাজন থাকবে না। উন্নত বিশ্বে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে একই ধারায় পড়াশোনা করতে হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিষয় অধ্যয়ন করে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অসংখ্য গ্রাজুয়েটস তৈরি করছে, যাদের কোনো কারিগরি দক্ষতা নেই। ফলে অনেক গ্রাজুয়েটের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয় না। এবং আমাদের বিপুল সংখ্যক জনশক্তি শ্রমবাজারের বাইরে থেকে যায়। এই অবস্থা চলমান থাকলে আমরা ভিশন ২০৪১ এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করতে পারব না। পাশাপাশি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হব না। এ সমস্ত বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার গ্রাজুয়েটসদের রি-স্কিল করার চিন্তা-ভাবনা করছে। এ জন্যই কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে বয়সের বাধ্যবাধকতা তুলে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যামেস্ট্রি বিভাগের প্রফেসর ড. আল-নকীব চৌধুরী সভাপতিà¦