রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘স্বাস্থ্যখাতসহ দেশের বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির হরিলুট চলছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, দেশে দুর্নীতির হরিলুট চলছে। কে কত দুর্নীতি করে দেশের সম্পদ কুক্ষিগত করতে পারে এবং দেশের মানুষকে ধোকা দিয়ে বোকা বানাতে পারে সেই প্রতিযোগিতা চলছে। কোভিড-১৯ টেস্টের নামে ভুয়া সনদ দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় জড়িত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রতারক সাহেদ করীম এবং জেকেজি হেলথ-এর ডা. রুবিনা আরিফসহ সংশ্লিষ্টদের সীমাহীন দুর্নীতি প্রমাণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর কতটুকু দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

বিবৃতিতে চরমোনাইয়ের পীর বলেন, রিজেন্ট হাসপাতালের প্রতারণা নিয়ে সমালোচনার মুখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের’ নির্দেশে মোহাম্মদ সাহেদের ওই হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন তারা। গত ২১ মার্চ ওই সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ টক শো ছাড়া সাহেদকে কখনও দেখেননি বলে দাবি করেছে অধিদপ্তর। এছাড়া করোনাভাইরাসের পরীক্ষা নিয়ে হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা জেকেজিকে অনুমোদন দেয়া প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, যদি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বক্তব্য সঠিক হয়, তাহলে এধরণের কর্মকর্তাদের স্বপদে থাকার কোন এখতিয়ার নেই।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতির কারণেই স্বাস্থ্যের সর্বত্র দুর্নীতির মহোৎসব শুরু হয়েছে। তা না হলে ৬ বছর ধরে অনুমোদনহীন হাসপাতালের সাথে কিভাবে চুক্তি হয়। দেশের স্বাস্থ্য খাতের সীমাহীন দুর্নীতির সর্বশেষ বহি:প্রকাশ রিজেন্ট হাসপাতালের কোভিড-১৯ টেস্ট ও জেকেজি জালিয়াতি। র‌্যাবের প্রশংসনীয় অভিযানের ফলে রিজেন্ট হাসপাতালের জালিয়াতি ও সাহেদের দুর্নীতি ও প্রতারণা প্রকাশ পেয়েছে। নমুনা পরীক্ষা না করেই কোভিড টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট বানিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সুযোগ কারা করে দিলো?

সাহেদ করিম ও তার মদদদাতাতের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং স্বাস্থ্যখাতে বিরাজমান দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির।

-এএ