আবদুল্লাহ তামিম।।
শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ এবং নানা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবু ইউসুফসহ তিনজনকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড-বেফাক।
আজ মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির সহসভাপতি আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। মহাসচিবের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত না নিলেও তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আজকের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো হলো- বেফাকের শৃঙ্খলাবিরোধী নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ মাওলানা আবু ইউসুফকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। মাওলানা আবু ইউসুফও অভিযোগ স্বীকার করে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।
ফোনালাপে বেফাকের পরিদর্শক মাওলানা ত্বহার নামও ওঠে এসেছে। নানা অনিয়ম ও বেফাকের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকায় তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।
পরীক্ষা বিভাগের সঙ্গে কর্মরত ঢাকার ফরিদাবাদ মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আবদুল গণীকে এই মুহূর্ত থেকে বেফাকের সকল কর্মকাণ্ড থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বেফাকের সহকারী মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক আওয়ার ইসলামকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বেফাকের আজকের বৈঠকে খাস কমিটির সদস্যদের মধ্যে থেকে উপস্থিত ছিলেন বেফাকের সহসভাপতি মুফতি ওয়াক্কাস, মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা আবদুল হক ময়মনসিংহ, মাওলানা আবদুল হামিদ মধুপুর পীর সাহেব, মাওলানা সাজিদুর রহমান দারুল আরকাম মাদরাসা, মাওলানা ছফিউল্লাহ পীরজঙ্গী মাদরাসা, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া। মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, সহকারী মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক ও মাওলানা নুরুল আমিন এবং অর্থ সম্পাদক মাওলানা মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
কিছু ফোনালাপ ফাঁসকে কেন্দ্র করে বেফাক নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছে তোলপাড়। কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মেধা তালিকা নিয়ে সিরিয়াল জালিয়াতি, পরীক্ষার মারকাজ নিয়ে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ, স্বজন-প্রীতি, মুরব্বি আলেম