রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ফেনীতে দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় র‍্যাব সদস্য নিহত মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদারের ছেলের কবর জিয়ারতে বাদাশিকস নেতারা নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা ৪ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শরিয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশা বিনির্মাণে যৌথ মতবিনিময় পরপর তিন ভূমিকম্পে কাঁপল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল 

রাস্তায় ফল বিক্রি করা পিএইচডি ডিগ্রিধারী মুসলিম তরুণীর বক্তব্য ভাইরাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাস্তার ধারের ফল বিক্রেতা তিনি৷ এই তরুণীর ঝরঝরে ইংরেজিতে বারংবার লকডাউনের প্রতিবাদ করছেন সংবাদমাধ্যমের সামনে৷ এই দৃশ্য দেখে থমকে গিয়েছিলেন ভারতের ইন্দোর শহরের পথচলতি মানুষ৷ ধীরে ধীরে তরুণীকে ঘিরে ভিড় বাড়তে থাকল৷ শেষ পর্যন্ত ওই তরুণীই জানালেন, ফল বিক্রি করলেও তার পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে৷

বুধবার থেকেই রাইসা আনসারি নামে ওই তরুণীর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে৷ ইন্দোর শহরের মালওয়া মিল এলাকায় ফল বিক্রি করেন ওই তরুণী৷ করোনা সংক্রমণ রুখতে ইন্দোরে বারবার লকডাউন জারি করা নিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করছিলেন তিনি৷ তার অভিযোগ, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লকডাউন জারি হওয়ায় ওই এলাকার ফল এবং সবজি বিক্রেতাদের উপার্জন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে৷

রাইসা জানিয়েছেন, তিনি পদার্থবিদ্যায় এমএসসি করেছেন৷ ইন্দোরের দেবী আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে মেটেরিয়াল সায়েন্স নিয়ে তিনি গবেষণা শেষ করেছেন বলেও দাবি করেন ওই তরুণী৷

ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, 'আজ শহরের একদিকে লকডাউন করা হচ্ছে তো কাল অন্যপ্রান্ত লকডাউন চলছে৷ এর ফলে বাজারে কার্যত কোনো ক্রেতাই নেই, বেচাকেনাও বন্ধ৷ আমরা নিজেদের পরিবারের খাবার জোগাব কী করে?'

রাইসার দাবি, ওই চত্বরে তার মতো অনেকেই পারিবারিক সূত্রে ফলের বিক্রির পেশায় এসেছেন৷ কিন্তু উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তাকে এভাবে ফল বিক্রির পেশাকে তিনি বেছে নিলেন?

ক্ষুব্ধ রাইসার দাবি, কোনো জায়গায় চাকরি না পেয়েই বাধ্য হয়েই ফল বিক্রি শুরু করতে হয়েছে তাকে৷ আগে তার বাবা এই ব্যবসা দেখাশোনা করতেন৷ রাইসা বলেন, 'কোথাও কোনো চাকরি জোটাতে পারিনি৷ তার উপর এখন তো সবাই বলছে যে মুসলিমরাই নাকি করোনা ছড়ানোর জন্য দায়ী৷ যেহেতু আমার নাম রাইসা আনসারি, তাই কোনো কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাই আমাকে চাকরি দিতে রাজি নয়৷'

দেবী আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক রাজকুমার চৌহানও রাইসাকে চিনতে পেরেছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, রাইসা খুবই পরিশ্রমী একজন ছাত্রী ছিলেন৷ মাঝেমধ্যেই তার সঙ্গে রাইসার দেখাও হতো৷ স্মৃতি হাতড়ে ওই অধ্যাপক বলেন, 'আমার মেয়ের বিয়ের আশীর্বাদ অনুষ্ঠানে ও এক ঝুড়ি ফল উপহার দিয়েছিল৷' যদিও কী কারণে রাইসার মতো একজন ছাত্রী ফল বিক্রির পেশাকে বেছে নিল, তা ভেবেই অবাক হচ্ছেন ওই অধ্যাপক৷

সূত্র: নিউজ১৮

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ