রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মাকে ঘুম পাড়িয়ে ফিরে আসা হলো না নামাজে যাওয়া নয়নের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘মা, তুমি ভাত খেয়ে ঘুমাও। আমি মসজিদে নামাজ পড়তে যাই।’ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নয়ন (২৬) লালমনিরহাটে থাকা মা বুলবুলি বেগমকে মোবাইল ফোনে একথা বলে এশার নামাজ আদায় করতে নারায়ণগঞ্জের তল্লার মসজিদে যান। এর কয়েক ঘণ্টা পর নয়নের বন্ধু ফোন দিয়ে জানায় মসজিদে বিস্ফোরণে নয়ন দগ্ধ হয়েছেন। মা রাতেই লালমনিরহাট থেকে রওনা দিয়ে সন্তানের খোঁজে ঢাকায় আসেন। তবে সন্তানের দেখা পাননি। সন্তান শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আইসিইউতে ভর্তি। আর মা হাসপাতালের অভ্যর্থনা কক্ষে আহাজারি করছেন, ‘আমার নয়নকে একটু দেখাও।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালের অভ্যর্থনা কক্ষে বসে মা বুলবুলি বেগম বলেন, ‘আমাকে এশার নামাজের আগে নয়ন ফোন দেয়। বলে, মা আপনি ভাত খেয়ে ঘুমান। আমি মসজিদে গেলাম। এরপর আর কথা হয়নি।’

নয়নের গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার তালুক পলাশী গ্রামে। তার বাবা মেহের আলী। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে নয়ন সবার বড়। পরিবারসহ নয়ন নারায়ণগঞ্জ ছিলেন। জানুয়ারিতে তার বাবা-মা ও ভাই-বোন গ্রামে চলে যায়। এরপর থেকে নয়ন একাই নারায়ণগঞ্জ ছিলেন। একটি পোশাক কারখানায় কাজ নেন।

মা বুলবুলি বলেন, ‘আমার ছেলের আয়েই সংসার চলতো। আর কিছু নাই, অন্য সন্তানরা সব ছোট ছোট।’

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ