রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আফগান আইনে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এতদিন ধরে আফগানিস্তানের নারী ও মেয়েরা শুধু কারো মা, মেয়ে, স্ত্রী বা বোন পরিচয়য়েই বেঁচে ছিলেন। তাদের নাম ব্যবহার করা হতো না কোথাও।

এমনকি সন্তানের অভিভাবক হিসেবেও ছিলো না তাদের নাম। ফলে স্বামীর সম্পত্তির অধিকার থেকে শুরু করে সন্তানের অভিভাবকত্ব সবকিছুতেই বঞ্চিত হতেন আফগান নারীরা। তবে এবার এ বিষয়ে দেশটির আইনে আসতে চলেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

এবার থেকে আফগানিস্তানের জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবার সঙ্গে থাকবে মায়ের নামও। ইতোমধ্যে আইনটি সংশোধন করে নতুন বিল তৈরি করা হয়েছে। শিগগিরই বিলটি দেশটির জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তোলা হবে। সংসদে এটি পাস হবে বলেও ধারণা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আর বিলটি যদি পাস হয়, তাহলে এটি হবে আফগান নারীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিশাল জয়।

মূলত আফগান নারীদের অধিকার নিয়ে তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তোলেন লালে ওসমানি নামের এক নারী। ২৮ বছর বয়সী ওই নারী হেরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন করেন #হয়ারইজমাইনেম। আর সেখান থেকেই শুরু হয় আফগান নারীদের অধিকার আদায়ের এই আন্দোলন।

এতদিন ধরে আফগান নারীরা স্বামীর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তির অধিকার পেতে সমস্যায় পড়তেন। স্বামীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নাম না থাকায় তুলতে পারতেন না কোনো অর্থ। এমনকি পিতার অবর্তমানে সন্তানের পাসপোর্ট পর্যন্ত করতে পারতেন না। নতুন এই আইন পাস হলে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ