সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


তাকমিল পরীক্ষা প্রস্তুতি: বুখারিতে ভালো ফলাফল পেতে গুরুত্বপূর্ণ টিপস!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাকের ডগায় তাকমিল পরীক্ষা। আর মাত্র ০৭ দিন বাকি। এখন আর পুরো কিতাব গেটে প্রস্তুতি নেয়ার সময় নেই। কেননা তাকমিল পরীক্ষার সিলেবাস অনেক লম্বা! কিন্তু কথা হলো সিলেবাস লম্বা হোক বা ছোটো। ভালো ফলাফলের জন্য মেহনতের কোনো বিকল্প নেই। আর মেহনতেরও রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম। যে নিয়মে কিতাবের পাতা উল্টালে খুব অল্প সময়ে পরীক্ষায় অনেক ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। নিয়মগুলো কী কী? কোন নিয়মে প্রস্তুতি নিলে কম সময়ে ভালো রেজাল্ট অর্জন করা যাবে? জানতে চেয়েছিলাম রাজধানীর জামিয়া মাহমুদিয়া ইসহাকিয়া মানিকনগর মাদরাসার প্রধান মুফতি ও শায়খুল হাদিস মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ সাদেকীর কাছে। শিক্ষার্থীরা অল্প সময়ে তাকমিলের বুখারি কিতাবের প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন সে বিষয়েও কথা বলেছেন তিনি। তার সাথে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম সাংবাদিক মোস্তফা ওয়াদুদ।


পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য প্রথম শর্ত হলো সারাবছর ভালোভাবে মনোযোগের সাথে পড়তে হবে। এরপর হাতের লেখা সুন্দর করতে হবে। এখন যেহেতু পরীক্ষার সময় একেবারে কাছাকাছি চলে আসছে। তাই তাকমিলের বুখারি কিতাবের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য  নিম্মোক্ত বিষয়গুলো ফলো করা যেতে পারে। এখানে একটি কথা মনে রাখতে হবে। সেটা হলো হাদিসের বিষয়বস্তু সব এক। নফসে হাদীস ও নফসে মাসআলা সব এক জায়গায়ই। তাই যে কোনো একটি হাদিসের কিতাব ভালো করে হল করলে অন্যান্য সকল হাদিসের কিতাব সহজ হয়ে যায়। তবে কিছু কিতাবে প্রাসঙ্গিক কিছু ভিন্ন বিষয় রয়েছে। কিতাবের হাইসিয়াতও ভিন্ন। যেমন হাদিসের কিতাবের মাঝে আবু দাউদের হাইসিয়াত ভিন্ন। বুখারি কিতাবের হাইসিয়াত আবার আরেকরকম। মোটকথা হাইসিয়াত ভিন্ন। কিন্তু হাদিসের আলোচনা প্রায় কাছাকাছি।

এবার আসা যাক বুখারি কিতাবের প্রস্তুতি নিবে কিভাবে? সে বিষয়ের আলোচনায়। বুখারি কিতাবের প্রস্তুতির জন্য কিতাবুল ঈমানকে ভালোভাবে আত্মস্থ করতে হবে। কিতাবুল ঈমানে ‘ঈমান সংক্রান্ত’ কিছু বিষয় আছে। সেগুলো ‘মালাহা ওয়ামা আলাইহা’ পড়তে হবে।

ঈমানের সংঙ্গা কী? ইসলামের সংঙ্গা কী? ঈমান-ইসলামের মাঝে নেসবত কী? ঈমানের মারিফাত কী? ঈমানের হাকিকত কী? ঈমানের মাজাহেব কী? ঈমান বসিত না মুরাক্কাব এ প্রসঙ্গে ফà