রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ইসরায়েলকে ভালোবাসেন জানিয়ে ভোট চাইলেন ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইহুদিদের নববর্ষ রোশ হাশানাহর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে মার্কিন-ইহুদি নাগরিকদের উদ্দেশ করে বলেছেন, তিনি তাদের দেশকে (ইসরায়েল) ভালোবাসেন।

শীর্ষ ইহুদি নেতাদের সঙ্গে কথা বলার সময় কথোপকথনটিকে ট্রাম্প তার আসন্ন নির্বাচনের প্রচারণার দিকে ঘুরিয়ে দেন। এ সময় তার পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে ইহুদি জনগণের ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে সম্পর্কে বলতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলে ইসরায়েল বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হবে।

তিনি বলেন, আমার এটা বলতেই হবে যে, আগামী ৩ নভেম্বর আপনারা যা কিছুই করতে পারেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ আমরা যদি নির্বাচনে না বিজয়ী না হই, তাহলে ইসরায়েল বড় সমস্যায় পড়বে।

'যা আমাকে সত্যিই অবাক করে দিয়েছে এবং তা আমি আপনাদের বলতে চাই, কারণ আমি একটি জরিপ দেখেছি যে, গত নির্বাচনে আমি ইহুদিদের ভোটের ২৫ শতাংশ পেয়েছি। পাশাপাশি আমি এটাও বলবো যে, আমার একজন মেয়ে, তার জামাই এবং সুন্দর নাতি-নাতনি আছে যারা ইহুদি।'

এটি সত্যিই এমন সময় যা ইসরায়েল এবং তাদের জনগণের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং আমরা একটি দুর্দান্ত কাজ করতে পারবো, যোগ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়, এটাই প্রথম নয় যে, ট্রাম্প মার্কিন-ইহুদিদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে দ্বৈত আনুগত্য থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এর আগে ২০১৯ সালে তিনি মার্কিন-ইহুদিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছিলেন, তারা পূর্ববর্তী নির্বাচনে তাকে ভোট না দিয়ে ইসরায়েলের প্রতি বড় অসাধুতা দেখিয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প অবিশ্বাস্যভাবে ইসরায়েলপন্থী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। যার প্রমাণ দখলকৃত গোলান হাইটসকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, মার্কিন দূতাবাসকে জেরুজালেমে স্থানান্তরিত করা, একটি শান্তি পরিকল্পনা চালু করা, যেন ফিলিস্তিনকে পশ্চিম তীর ও গাজার সঙ্গে সংযুক্ত একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে পকেটে পরিণত করা যায়। পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তির মধ্যস্থতাকারীও তিনি।

এমনকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছেন, ইরানের হাত থেকে ইসরায়েলকে বাঁচাতে স্বয়ং ইশ্বর ট্রাম্পকে প্রেরণ করেছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ