রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আবারও যুদ্ধে জড়াচ্ছে আজারবাইজান-আর্মেনিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ: আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের বিতর্কিত অঞ্চল নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়েছে গত রবিবার থেকে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী এতে অন্তত ১০০ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের রেষারেষি নতুন কিছু নয়। গত চার দশক থেকেই দেশ দুটির সম্পর্ক বিদ্বেষপূর্ণ। তবে, ২০১৬ থেকে নাগর্নো-কারাবাখ বিতর্ক আরও তীব্র হতে থাকে। সবশেষে গত রবিবার এটি প্রায় যুদ্ধের রূপ নেয়।

বিবিসির আরেক প্রতিবেদন বলছে, আজারবাইজানের জনসংখ্যা ১ কোটি ৪৬ হাজার হলেও আর্মেনিয়ার জনসংখ্যা মাত্র ৩০ লাখ ৩৮ হাজার। আয়তনের দিক থেকেও যেখানে আর্মেনিয়া মাত্র ২৯,৭৪৩ বর্গকিলোমিটার, সেখানে আজারবাইজানের আয়তন প্রায় তিনগুণ ৮৬, ৬০০ বর্গকিলোমিটার। আজারবাইজানের সামরিক শক্তিও আর্মেনিয়া থেকে বেশি।

এদিকে তুরস্কেরমত শক্তিশালী নেটোভুক্ত দেশ প্রকাশ্যে আজারবাইজানের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। তুর্কি নিউজ উর্দূর বরাতে জানা যায়, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, আর্মেনিয়ার উচিত আজারবাইজানের দখলকৃত অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আর্মেনিয়াকে অস্ত্র সহযোগিতা করার। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তা অস্বীকার করেছেন।

মুসলিম দেশগুলোর সমন্বিত আন্তর্জাতিক সংগঠন অরগানাইজেশান অফ ইসলামিক কো-অপোরেশন (ওআইসি) সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, আমরা আর্মেনিয়ার উস্কানিমূলক আচরণ ও আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

তুরস্কের মিত্র দেশ রাশিয়ার একটি সেনা ঘাঁটি রয়েছে আর্মেনিয়ায়। শান্তিপূর্ণভাবে এই সংঘাতের সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

প্রসঙ্গত, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান-উভয় দেশই একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর দেশ দুটি স্বাধীন হয়। তার পর থেকে নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত চার দশক ধরেই দুই দেশের বিরোধ চলমান।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ