সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


বেফাকের সাহিত্য-সাংবাদিকতা কোর্স: আমার প্রেরণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ হাসান মুরাদ

সামান্য প্রেরণা মানুষের ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নকে সজীব-সতেজ করে তোলে। কিছু অনুপ্রেরণা হতাশার ধোঁয়া সরিয়ে আশার পথ দেখায়। যারা উদার তারা প্রেরণা-অনুপ্রেরণার গল্প শোনান। কারো এক, দু’ কথায় জীবনের আমুল পরিবর্তন হয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। একটু স্নিগ্ধ পরশ, ভালোবাসার ছোয়া, আর সামান্য পথ দেখানো, সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করেছে এর নজীরও কম নয়। আমাদের নবি সা. বলেছেন, তোমরা সুসংবাদ দাও, বিতৃঞ্চা সৃষ্টি করোনা। সহজ পন্থা অবলম্বন করো, কঠিন পন্থা পরিহার করো। (সহীহ মুসলিম শরীফ, হা-৪৩৭৫)

কিছু লিখব, বই বের হবে, মানুষ পড়বে; এমন স্বপ্ন ছিল ছোটকাল থেকেই। কিন্তু কীভাবে? একটা সময় তো আমাদের বাংলা কিছু পড়াও অপরাধ ছিল! একবার সখ করে একুশে বই মেলা থেকে কিছু বই কিনেছিলাম। কিন্তু পড়া হয়নি। ধরাপড়ে সব বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছিলেন গুরুজন। হয়ত তিনি আমার মঙ্গল চেয়েছেন তাই!

২০০৯ সালের কথা। বেফাক থেকে ২০দিনের ‘সাহিত্য ও সাংবাদিকতা’ কোর্স হয়েছিল। সুযোগ হাতছাড়া করিনি। তীব্র আগ্রহ নিয়ে পূর্ণসময় ছিলাম। সে স্মৃতি আজো ভুলতে পারিনা। সময়ের আলোচিত কিছু আদর্শ মানুষ জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতালব্ধ সব পাথেয় দিয়েছিলেন আমাদের সে কোর্সে। তাদের মাধ্যমে আজ শতশত তরুণ লেখক হয়েছে। তাদেরই কিছু স্মৃাতি, উপদেশ ও প্রেরণা নিয়ে আজকের লেখা।

১. প্রথমেই স্মরণ করছি বেফাকের সফল মহাসচিব মাওলানা আব্দুল জাব্বার জাহানাবাদি রহ. এর কথা। উদারতায় তার জুড়ি খুজে পাওয়া কঠিন। একদিন হুজুর দুঃখ করে আমাদের অনেক কথা বলেছিলেন। শেষে বলেছিলেন ‘বেফাক হল ১২ আউলিয়ার জায়গা’। এমন পরিবেশেও আমি তোমাদের ভবিষ্যত চিন্তা করে এ কোর্সের ব্যবস্থা করেছি। তোমরা সামনে বড় লেখক, সাংবাদিক হবে। মায়ের ভাষায় দীনের বানী ছড়িয়ে দিবে এটাই কামনা। আমার মত অনেকেই সেদিন আবেগাপ্লুত হয়ে পন করেছিল। এবং আলহামদুল্লিাহ অনেকেই চেষ্টা করে চলেছেন। কোর্সের সঞ্চালণায় ছিলেন বড় ভাই হুমায়ন আইয়ুব। সত্যি একজন রুচিশীল, পরিপাটি আর কর্মঠ মানুষ। ঐসময় তিনি সদ্য অপারেশনের রুগী ছিলেন। তারপরও কাঁধে ভর করে, হেটে হেটে যারপর নাই চেষ্টা করেছেন। এখন তিনি জনপ্রিয় অনলাইন প্রত্রিকা ‘আওয়ার ইসলাম’ এর সম্পাদক। আমাদের বেড়ে ওঠার পেছনে তার অবদান ভুলার মত নয়।

২. মাওলানা আবুল ফাতাই মুহাম্মদ ইয়াহইয়া রহ.। একদম সাদাসিধে নিরঅহংকার মানুষ ছিলেন। সব সময় লুঙ্গি পরে থাকতেন। হাসি ঠোট যুগলে লেগেই থাকত। যাà¦