রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মেডিক্যাল প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা সালাম গ্রেপ্তার, জড়িত ৫ ডাক্তার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর মেশিন ম্যান আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ। এ প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে অন্তত পাঁচ জন চিকিৎসকের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে, রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে একথা জানান সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম।

তিনি জানান, সালামের ব্যাংকে টাকা জমানোর প্রবণতা না থাকলেও তার বিপুল সম্পদ রয়েছে। বিষয়টির তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি। ২০১৫ সালে সালামের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

তিনি আরও জানান, সালামের ভাই জসিমের নামে বেনামে ব্যাংক একাউন্ট থেকে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকার তথ্য পেয়েছে সিআইডি। তার স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টেও ৩ কোটির বেশি টাকা জমা রয়েছে৷ আব্দুস সালামসহ গ্রেপ্তারকৃত সবার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের হিসাব অনুসন্ধানে সিআইডি করছে বলে জানান তিনি।

এই সিআইডি কর্মকর্তা আরও জানান, এর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত আরও ১০ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলা তদন্ত করতে গিয়ে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের সন্ধান পাওয়া যায় বলে জানান তিনি।

‘তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ জুলাই জসিমউদ্দীন ভূঁইয়া, জাকির হোসেন এবং এসএম সানোয়ার হোসেন নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী আরও ৭ জন গ্রেফতার হয়।’

আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেফতারকৃতরা সবাই পরস্পর আত্মীয়। তাদের কাছ থেকে জানা যায়, জসিমের খালাত ভাই সালামই প্রশ্ন ফাঁসের হোতা। তার মাধ্যমেই প্রশ্ন বের হত এবং জসিম তার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিত।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। ৫-৬ জন ডাক্তারের নাম আসে যারা মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্রের সঙ্গে জড়িত। ৩-৪টি কোচিং সেন্টারের নামও আসে যাদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র চলে
যেত।

-এটি