আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের সংঘাত কবলিত রাখাইনে ১ লাখ ৩০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা নোংরা ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সংস্থাটির পক্ষ থেকে জোরপূর্বক, ঢালাওভাবে আটক করা রোহিঙ্গাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানায়।
এইচআরডব্লিউ জানায়, গণগ্রেফতারের শিকার অধিকাংশ রোহিঙ্গা মুসলমানকে উন্মুক্ত কারাগারের মতো ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে গেলো ৮ বছর ধরে অমানবিক পরিস্থিতিতে আটকে রেখেছে। তাদের বাড়িঘর, কৃষি জমি এবং জীবিকা কেড়ে নেয়ো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি উন্নয়নের আশা খুবই ক্ষীণ বলে জানান এইচআরডব্লি‘র প্রতিবেদন লেখক শায়না বাউচনার।
২০১৭ সালের আগে মিয়ানমারে প্রায় ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গা বসবাস করতো। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেখানে তারা বসবাস করে আসছিল। কিন্তু দেশটির সরকার তাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশের অভিবাসী বলে বিবেচনা করে। নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে। আখ্যা দেয় রোহিঙ্গা বলে।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংস সামরিক অভিযান চালায় মিয়ানমার সরকার। জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেয় সাড়ে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। ওই বর্বরতার কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে গণহত্যার অভিযোগে বিচার চলছে।
আড়াই লাখের বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমারে থেকে যায়। ২০১২ সালের সংঘাতের আগে বাস্তুচ্যুত হওয়া ১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত হয়ে দেশটির শিবিরে বসবাস করছে। এক লাখের মতো রোহিঙ্গা রাখাইনের বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস করছে। রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের উপর সামরিক বাহিনীর অব্যাহত নজরদারির কারণে তারা শঙ্কা এবং ভয়ের মধ্যে জীবনযাপন করছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী, রাখাইনের সশস্ত্রগোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যেকার সংঘাতের কারণে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এইচআরডব্লিউ’র প্রকাশ করা ১৬৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলা হয়, এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমারে শিবিরে বসবাস করছে। তাদের অনেককেই চরম সীমাবদ্ধতার মধ্যে বসবাস করতে হয়। চলাফেরা, জীবনযাপনে তাদের নানামুখী প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয় বলেও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। শিবিরে আটকে থাকা à