মাদরাসা শিক্ষার্থীদের স্যোশাল মিডিয়া আসক্তি নতুন বিষয় নয়। স্যোশাল মিডিয়া নামক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সাথে সাথে এর প্রতি আগ্রহও তৈরি হচ্ছে তাদের। আর দিন দিন প্রযুক্তি যত সহজ হচ্ছে, মাদরাসায় এর ব্যবহারও সমানতালে বেড়ে চলছে। বর্তমানে এর ব্যবহার এতই ভয়ানক আকার ধারণ করছে যে, এটি উপকারের চেয়ে অপকারই বয়ে আনছে বেশি। বেসরকারি একটি এনজিওর প্রতিবেদনে দেখা গেছে প্রায় ৬৬ শতাংশ মাদরাসা ছাত্র ও ৫৬ শতাংশ মাদরাসা ছাত্রী দিনরাতের প্রায় ৩ ঘন্টা স্যোশাল মিডিয়ায় ব্যয় করছেন। এতে পড়াশুনার প্রতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ যেমনি কমছে তেমনি ক্ষতি হচ্ছে ভবিষতের। এর থেকে উত্তরণের পথ, ক্ষতিকর দিক, সুবিধা অসুবিধা এসব নিয়ে দেশের বিশিষ্ট তিনজন আলেমের সাথে কথা বলে প্রতিবেদনটি সাজিয়েছেন মোস্তফা ওয়াদুদ।।
মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। দেশসেরা বক্তা ও রাজনীতি সচেতন মানুষ। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম ‘মাদরাসা শিক্ষার্থীদের স্যোশাল মিডিয়া আসক্তি থেকে মুক্তি কিভাবে পেতে পারে? নতুন করে জন্ম নেয়া এ স্যোশাল মিডিয়া আসক্তিকে আপনি কিভাবে দেখেন?
উত্তরে তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে আদর্শ ছাত্র হওয়ার জন্য মোবাইল ব্যবহার একটি প্রতিবন্ধক বিষয়। এর থেকে উত্তরণের জন্য সারাদেশের মাদরাসাগুলোতে একযোগে নির্দিষ্ট একটি আইন বা কানুন করা যেতে পারে। সেটা মোবাইল পাওয়া গেলে মাদরাসা থেকে বহিস্কার, অথবা পরামর্শ সাপেক্ষে অন্য যে কোনো আইন তৈরি করে তার প্রয়োগ করা যেতে পারে।
কিন্তু বর্তমানে স্যোশাল মিডিয়ার কল্যাণের কথা বলে থাকেন অনেকে। ‘সমসাময়িক বিষয়ে জ্ঞান না রাখলে সে মূর্খ।’ ইফতার কিতাবে এমন একটি মূলনীতিও রয়েছে। তাহলে স্যোশাল মিডিয়াকে উপেক্ষা করার সুযোগ কোথায়?
এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমরা আদর্শ ছাত্রদের মোবাইল বা স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধ করছি। যখন সে একটা পর্যায়ে যাবে। যেমন ছাত্র থেকে শিক্ষক হবে তখন ব্যবহার করুক। অথবা মাদরাসা বন্ধের সময়গুলোতে ব্যবহার করুক। তাতে তো আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু মাদরাসা হলো নির্দিষ্ট কিছু বিষয় লেখাপড়ার জায়গা। নির্দিষ্ট বিষয়ের বাইরে জানতে যাওয়া আদর্শ ছাত্রের লক্ষণ হতে পারে না।
মাদরাসায় মোবাইল, ট্যাব কিংবা স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষতির দিকগুলো কী কী জানতে চাইলে এ বক্তা বলেন, ক্ষতির দিক অনেক। এটাকে কোনো পরিà