রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ: বাদী-বিবাদী উভয়ই দুষছেন পুলিশকে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে পুলিশের গাফলতি আছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী। একই ধারণা মামলার অন্যতম আসামি ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে পুলিশ এই মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে পারে না। তবে পুলিশ বলছে, ধর্ষণ মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে তারা অত্যন্ত আন্তরিক।

গত ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ, অপহরণ ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে চরিত্র হননের অভিযোগে দুটি মামলা করেন ওই শিক্ষার্থী। মামলায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাসহ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরকেও আসামি করা হয়।

মামলার প্রায় ১ মাস হতে চলেছে, এ পর্যন্ত মাত্র ২ জনকে গ্রেফতার করা হলেও তদন্তে তেমন কোন অগ্রগতি দেখাতে পারেনি পুলিশ।গ্রেফতাররা হলেন- বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম ও সংগঠনটির ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি মো. নাজমুল হুদা।

মামলার তদন্তের বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জাগো নিউজকে বলেন, আমি ২১ সেপ্টেম্বর লালবাগ থানায় মামলা করি। বিজ্ঞ আদালত ৭ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন। তবে পুলিশ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হয়।

তারপর আদালতে আবেদন করার পর সেটি আবার ২৭ অক্টোবর করা হয়। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত যে সময়টা ছিল তাতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার যথেষ্ট সময় ছিল। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলে মানুষের মধ্যে যে একটা ধারণা সৃষ্টি হয়েছে- কেন তা প্রকাশ হচ্ছে না; তা স্পষ্ট হতো।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকায় আমি বরাবরই একটা উদাসীনতার ছাপ দেখতে পায়। আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে একটা অদৃশ্য শক্তি বা অজ্ঞাত কারণে তারা গাফিলতি করছে। যার জন্য আমাকে এখানে অবস্থান করতে হচ্ছে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনের তারিখ ৭ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবরে নেয়ার পেছনেও গাফলতি বা উদাসীনতা আছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ