আওয়ার ইসলাম: ফ্রান্স কখনো ইসলামি মৌলবাদীদের কাছে নতস্বীকার করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
গতকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) এক টুইটবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ম্যাক্রো তার ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন ভাষায় একই পোস্ট বারবার পোস্ট করতে থাকেন।
ফ্রান্সে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর কার্টুন প্রদর্শনের কারণে দেশটির এক শিক্ষককে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করে এক কিশোর। হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই হামলাকারী কিশোর ১৮ বছর বয়সী আবদুল্লাহ আনজরভকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ফ্রান্স।
ঘটনার পর ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এরপরই ফ্রান্সজুড়ে ধরপাকড় শুরু হয়।
গতকাল রোববার টুইটবার্তায় ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘আমরা কখনোই ইসলামি মৌলবাদীদের কাছে নতস্বীকার করব না। এ ছাড়া আমরা বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য গ্রহণ ও যুক্তিযুক্ত মতামতকে প্রতিহত করি না।’
এদিকে ধর্ম নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং কট্টরপন্থি ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দেয়ায় ম্যাক্রোঁর ‘মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ করানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন এরদোগান।
প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিজের একে পার্টির এক সভায় প্রশ্ন তোলেন- ‘ম্যাক্রোঁ’র ইসলাম এবং মুসলিমদের নিয়ে সমস্যাটা কোথায়?’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে কী বলা যেতে পারে? তার দেশের লাখ লাখ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে এমন আচরণ করতে পারেন? আমার মনে হয়, ম্যাক্রোঁর মানসিক চিকিৎসা না করালেই নয়।’
এরদোয়ানের এমন অপমানজনক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এ অবস্থায় প্যারিসে অবস্থানরত তুর্কি রাষ্ট্রদূত হার্ভ মাগরোকে তলব করেছেন ফরাসি সরকার। ম্যাক্রোঁ তুর্কি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এরদোগানের এমন মন্তব্যের ব্যাখ্যা চà¦