রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

গিলগিত-বালতিস্তানকে প্রদেশের মর্যাদা দেয়ায় পাকিস্তানের উপর ভারতের ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তান সরকার গিলগিত-বালতিস্তানকে অস্থায়ী প্রদেশের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত। গিলগিত-বালতিস্তান ভারতের ভূখণ্ড, যা পাকিস্তান জোর করে দখল করে রেখেছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি।

গতকাল রোববার (০১ নভেম্বর) বিকেলে গিলগিত-বালতিস্তানকে অস্থায়ী প্রদেশের মর্যাদা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

এরপরেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার বেআইনিভাবে, জোর করে দখলে রাখা ভারতীয় ভূখণ্ডের একাংশের চরিত্রগত পরিবর্তনের যে চেষ্টা চালাচ্ছে, ভারত তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।’

অনুরাগ শ্রীবাস্তব আরও বলেন, ‘১৯৪৭ সালের চুক্তি অনুযায়ী, গিলগিত-বালতিস্তান ভারতের কেন্দ্রীয়শাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জোর করে দখল করে রাখা ওই অঞ্চলের কোনও কিছু পরিবর্তন করার অধিকার নেই পাকিস্তানের।

এ ধরনের কাজ আসলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমান। পাশাপাশি পাকিস্তানের ওই সিদ্ধান্তে এটা প্রমাণ হয় যে, কীভাবে দিনের পর দিন তারা একটি অঞ্চলের মানুষদের স্বাধীনতা খর্ব করে চলেছে। ভারতের যে জায়গাগুলো পাকিস্তান দখল করে রয়েছে, সেগুলোকে নিজেদের অধীনে নেওয়ার পরিকল্পনা থেকে ইসলামাবাদের উচিত অবিলম্বে সেখান থেকে সরে যাওয়া।’

রোববারের ইমরান খান বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন মেনেই আমাদের সরকার গিলগিত-বালতিস্তানকে বিশেষ প্রাদেশিক মর্যাদা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ উপলক্ষে অঞ্চলটির বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গিলগিত-বালতিস্তানে আসন্ন নির্বাচনের কারণে আপাতত উন্নয়ন প্যাকেজ ঘোষণা করা যাচ্ছে না। চলতি বছরে গত সেপ্টেম্বরে গিলগিত-বালতিস্তানে প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচন ঘোষণা করেছিল ইসলামাবাদ। সেসময়েও ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইমরান খান সরকারের ওই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছিলেন, ‘পাকিস্তান সরকারের ওই পদক্ষেপের কোনও আইনি বৈধতা নেই। ওই প্রক্রিয়ার গোড়াতেই ত্রুটি রয়েছে। কারণ, গিলগিত-বালতিস্তান পাক সেনার দ্বারা অবৈধভাবে, জোর করে দখল করা ভূখণ্ড।’

অনুরাগ শ্রীবাস্তব আরও বলেন, গিলগিত-বালতিস্তানে নির্বাচন ঘোষণা করে ভারতের ’অভ্যন্তরীণ’ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে পাকিস্তান। চলতি বছরের প্রথমদিকে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট সেখানে প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচন করানোর জন্য পাকিস্তান সরকারকে ২০১৮ সালের প্রশাসনিক আইন সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছিল। এরপরে ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার পাকিস্তানকে ‘কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্র’ (ডিমার্শ) পাঠায়।

কিন্তু তা উপেক্ষা করেই সেখানে নির্বাচনের সিদ্ধান্তে অটল থাকে ইসলামাবাদ। আগামী ১৫ নভেম্বর নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়। গত ১৮ অগস্ট প্রাদেশিক আইনসভার ২৪টি আসনে নির্বাচনের দিন স্থির হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। সূত্র: পার্স টুডে

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ