রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

শাহবাগীদের শ্লোগানে ক্ষেপেছেন মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গত সোমবার (২নভেম্বর) ফ্রান্স দুতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এরপর মঙ্গলবার শাহবাগের কিছু মুক্তমনা ব্লগার হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে শ্লোগান ধরে। তারা বলে ‘হেফাজতে ইসলাম,মেড ইন পাকিস্তান।’ হেফাজতের বিরুদ্ধে শ্লোগান ধরায় শাহবাগীদের বিরুদ্ধে ক্ষেপেছেন দেশের বিখ্যাত ওয়ায়েজ মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। গাজীপুরের একটি মাহফিল দেয়া বক্তব্য ইতিমধ্যে ভাইরাল স্যোশাল মিডিয়ায়। সে ভাইরাল বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদনটি সাজিয়েছেন মোস্তফা ওয়াদুদ।


মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ‘তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে মশাল মিছিল বের করো। ইউনিভার্সিটির গণ্ডির ভেতরে থেকে। আরেকটু সামনে এগিয়ে দেখো কেমন লাগে!’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারকে পরিস্কার বলবো, এই সমস্ত মিছিলকারীদের বন্ধ করেন। নতুবা গত সোমবার (২নভেম্বর) হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের মিছিলে যে পরিমাণ মানুষ হয়েছে। তারা যেখানে মিছিল করেছে আমার হাতের লাঠিটা পর্যন্ত বাসায় রেখে হেটে যাবো। (আমার বিশ্বাস) পায়ের নিচে পড়ে সবগুলো শেষ হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘এখনো কিন্তু ফেরাউনের বংশধররা আছে। মশাল হাতে নিয়ে মিছিল বের করে। আবার শ্লোগান দেয় ‘হেফাজতে ইসলাম, মেড ন পাকিস্তান’। ‘হেফাজতে ইসলাম মেড ইন পাকিস্তান নয়। তোমরা মেড ইন ইণ্ডিয়ান।’ (আর একটি কথা) পরিস্কার বলতে চাই, ইণ্ডিয়ার দালালী করে বাংলাদেশে থাকা যাবে না। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম মুসলমানের দেশ। ইসলামকে যাদের ভালো না লাগে। তারা বর্ডার পাস হয়ে চলে যাও।’

তিনি বলেন, ‘এদেশে থাকতে হলে মসজিদকে ভালো লাগতে হবে। আলেম-ওলামাকে ভালো লাগতে হবে। মাদরাসাকে ভালো লাগতে হবে। কুরআনকে ভালো লাগতে হবে। মসজিদকে ভালো লাগতে হবে। আজানকে ভালো লাগতে হবে। ওয়াজ-মাহফিলকে ভালো লাগতে হবে। তারপর থাকতে পারবা।’

তিনি বলেন, ‘৭১ টিভির এসি রুমের ভেতরে বসে বসে কী সুন্দর ওয়াজ-মাহফিলের বিরুদ্ধে কথা বলে ওরা। বাবার বেটা হলে এসি রুম থেকে বের হয়ে গাজীপুরের রাস্তায় এসে দেখো। কেমন লাগে ! শাহরিয়ার কবির, মুরগী চোর। টেলিভিশনে বসে কুটকুট করো। বাবার বেটা বাজারে এসে বলে দেখো!’

গোটা বিশ্বের আটান্নটি মুসলিম দেশ। বিশ্বের বর্তমানে ১ শত ৭০ কোটি মুসলমান। গোটা বিশ্বে মুসলমানের অন্তরে ফ্রান্স আগুণ জালিয়ে দিয়েছে। সে আগুণের প্রতিবাদ বাংলাদেশে সবচে বেশি হয়েছে। এতো মিছিল আর এতো প্রতিবাদ বিশ্বের অন্য কোনো দেশে হয়নি। এই হলো আমাদের বাংলাদেশ। আমাদের দেশ নিয়ে আমরা গর্বিত।

সুতরাং বাংলাদেশে থাকতে হলে আজানের আওয়াজ শুনে থাকতে হবে। বাংলাদেশে থাকতে হলে কুরআন-হাদিসকে মেনে থাকতে হবে। বাংলাদেশে থাকতে হলে ইসলামের বিরুদ্ধে কুটুক্তি করে থাকা যাবে না।

এদেশ মুসলমানের দেশ। ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বললে মুফতি আমিনী গর্জন দিয়েছেন। আহমদ শফী গর্জন দিয়েছেন। শায়খুল হাদিস গর্জন দিয়েছেন। বায়তুল মোকাররমের খতিব গর্জন দিয়েছেন। তারা দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছে। তাদের সন্তানরা এখনো বেঁচে আছে। কেউ ইসলামের বিরুদ্ধে টু শব্দটুকু করবাতো তাদের খবর আছে!

এদেশের কোনো হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন হয়নি। আমরা কোনো হিন্দু, বৌদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলিনি। আমরা নবির দুশমনদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছি।’

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ