রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মারা গেছেন ফিলিস্তিনি মুখপাত্র সায়েব এরেকাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) (ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন) এর মহাসচিব সায়েব এরেকাত (৬৫) মারা গেছেন। পিএলওর এই মহাসচিব করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার মারা যান।

সায়েব এরেকাত ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের প্রখ্যাত মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন কয়েক দশক ধরে। ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে ভেস্তে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের শান্তি আলোচনায় প্রধান সমঝোতাকারীর ভূমিকা পালন করেন তিনি।

প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) মহাসচিবের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের অত্যন্ত শক্তিশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠী ফাতাহর সদস্য ছিলেন সায়েব। ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের শক্তিশালী সমর্থক ও অধিকৃত ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের ঘোরতর বিরোধী ও সমালোচক ছিলেন পিএলও’র এই মহাসচিব।

তিনি বলেছিলেন, ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের ফলে কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নস্যাৎ হতে পারে। এর আগে, গত ৮ অক্টোবর নিজের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছিলেন পিএলও’র এই মহাসচিব।

২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ফুসফুস ট্রান্সপ্ল্যান্ট করেন তিনি; যা তার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে ফেলে। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর গত সপ্তাহে সায়েব এরেকাতকে পশ্চিম তীরের জেরিকো শহরের হাদাসসাহ মেডিক্যাল সেন্টারে নেয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ভেন্টিলেটরে রাখেন। পরে সেখান থেকে কোমায় চলে যান ফিলিস্তিনি স্বাধীকারের স্বপ্ন দেখা এই লড়াকু সৈনিক। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই সন্তান, যমজ কন্যাসহ আরও আট নাতি-নাতনি রেখে গেছেন তিনি।

সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ