রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজের টাকা খরচ করে প্রতিষ্ঠা করা পাঠাগার জনগণকে দান করলেন সৌদি নারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন।।

জনসাধারণের মধ্যে পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি করতে নিজের ব্যক্তিগত পাঠাগারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন আফা আলি নামের এক সৌদি নারী। শৈশব থেকেই পড়ার প্রতি তার প্রচুর আগ্রহ ছিলো- সেই আগ্রহ থেকেই এ পর‌্যন্ত নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে অনেক বই কিনেছেন। তা ছাড়া কারো থেকে কোন উপহার পেলেও তা দিয়ে বই কিনতেন তিনি-এভাবে তাঁর সংগ্রহে এখন বইয়ের বিশাল সমাহার গড়ে উঠেছে।

এপ্রসঙ্গে আফা আলি বলেন, সময়ের সঙ্গেসঙ্গে বই কেনা ও পড়ার প্রতি আমার আগ্রহও বেড়েছে। এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, বই পড়ার আগ্রহ আমাকে পাগলপ্রায় করে ফেলেছিলো।

সৌদির যেখানেই বইমেলা হতো-সেখানেই বই কেনার জন্য আমি ছুটে যেতাম। জেদ্দার বইমেলা থেকে সর্বপ্রথম আমার পাঠাগার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি মাথায় আসে।

আফা আলির পাঠাগারটি মক্কার আল ওয়ালা মহল্লায় অবস্থিত। প্রথমে এখানের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে তাতে ‘আ’লামুল কিরাআহ’ বা অধ্যায়নের পৃথিবী নাম দিয়ে একটি বাণিজ্যিক পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তিনি জানান, পাঠাগ্রহী যেকেউ দোকানে আসলে তার জন্য দুটি সুবিধা দিতে আমি অনন্য এক পদ্ধতি গ্রহণ করি; যার বই পড়ার শখ, সে দোকানের নির্দিষ্ট স্থানে আসন গ্রহণ করে বই পড়তে পারে। আর যে বই সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চায় তাকে প্রতীকী বা নামমাত্র মূল্যে বই দেওয়া হয়।

এরইমধ্যে আফা আলির এই কাজ অনেকের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ব্যাংক এবং বিজনেস লিডারশিপ ইনিস্টিটিউট পাঠাগার পরিচালনায় তাঁকে সহয়তা করছে।

তিনি বলেন, পাঠাগার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য টাকা কামানো নয়; বরং জনসাধরণের মধ্যে পড়ার উৎসাহ সৃষ্টি করা। আগ্রহীরা এখন এক স্থানে বসেই প্রশান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে বই পড়তে পারেন।

আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা- মানুষ পড়ার জন্য অত্যন্ত আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে আমার পাঠাগারে আসতে শুরু করেছে। সূত্র: উর্দু নিউজ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ