আওয়ার ইসলাম: দেশব্যাপী মূর্তি-ভাস্কর্য বিষয়ে আলোচনা সমালোচনা চরমে। উদ্বেগ প্রকাশ করছেন দেশের তৌহিদি জনতা ও আলেমসমাজ। এএই ইস্যুতে ফেসবুক ও সংবাদ মাধ্যমেও বেশ লেখা লেখি হচ্ছে। ওয়াজ মাহফিলও বন্ধ হচ্ছে অনেক জায়গায়। এ বিষয়গুলো নিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লিখেছেন মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি লিখেন, চলমান ঘটনাপ্রবাহের গল্প শুরু করি একটু পেছন থেকে। সপ্তাহ তিনেক আগের কথা। সম্ভবত ৩০শে অক্টোবর জুমার দিন। ধোলাইপাড়ের ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বাদ জুমা আমার মসজিদেই আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তারা সবাই স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম সাহেবান। আগে থেকেই যোগাযোগ করে সময় নিয়েছিল্ন তারা। পরিস্থিতির আপডেট জানিয়ে পরবর্তি করণীয় বিষয়ে পরামর্শ করাই ছিল সাক্ষাতের উদ্দেশ্য।আলাপচারিতায় তারা জানালেন, পদ্মাসেতু মহাসড়কের গোড়ায়, যেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে, সেখানে লাগোয়া দুদিকে রয়েছে দুটি মসজিদ। বিষয়টি তদন্তকারী সরকারী কর্মকর্তাদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।
তাই সরকারের দায়িত্বশীল মহল চাইছে না, এখানে ভাস্কর্য নির্মাণ করে তৌহিদী জনতার রোষাণলে পড়তে। তবে একটি মহল তো আছেই যারা সব কিছু গায়ের জোরে বাস্তবায়ন করতে চায়। তবে বিষয়টি যেহেতু সরকারের একটি মেগা প্রজেক্ট, তাই খুব সহজেই এর সমাধান হয়ে যাবে, এমনটি তারাও আশা করতে পারছেন না। এত বড় একটি আন্দোলন, অথচ এর নেতৃত্ব স্থানীয় পর্যায়ের ইমাম-আলেমগণ দিচ্ছেন। আর তাই তারা পড়েছেন প্রচন্ড চাপের মুখে। প্রশাসন ও সরকারী এজেন্সিগুলোর উপর্যপুরি জিজ্ঞাসাবাদে তাদের অবস্থা নাকাল। এই পরিস্থিতিতে কী করণীয় তা নিয়ে তারা শীর্ষ ওলামা-মাশায়েখের সাথে সলাপরামর্শ করছেন। সেই সুবাদে এসেছেন আমার সাথেও কথা বলতে।
আমি তাদের কাছে জানতে চাইলাম, কার কার কাছে গিয়েছেন এবং তারা কী বলেছেন? তারা শোনালেন তাদের কারগুজারী। বিশেষভাবে বললেন দুজনের কথা। একজন মুহিউসসুন্নাহ হযরত মাওলানা মাহমুদুল হাসান। আর অপরজন হলেন আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মসউদ।
ফরিদ মসউদ সাহেবের যে কথাগুলো তারা উদ্ধৃত করলেন, তা আমার কাছে ভালো লেগেছে। তিনি নিজে কী করতে পারবেন, এ বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেছেন, “সরকারের উঁচু পর্যায়ে সম্ভব হলে আমি কথাগà