শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ভারতকে হটিয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কমছে ভারতের অংশীদারিত্ব, বাড়ছে চীনের হিস্যা।

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক আধিপত্যের বিষয়েও ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে পূর্ব এশিয়ার দেশটি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নয়াদিল্লি আর বেইজিংয়ের ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নিজস্ব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে ঢাকাকে।

বঙ্গোপসাগর ছাড়া বাংলাদেশের বাকি সীমান্তের প্রায় পুরোটাই ভারতের সঙ্গে। অন্যদিকে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিচরণ সহজ হলে, চীনের নৌ-যোগাযোগ হয়ে উঠবে আরো কার্যকর। আর তাই ভূরাজনীতিতে নয়াদিল্লী এবং বেইজিং দু'পক্ষের কাছেই ঢাকার বাড়তি কদর।

একটা সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার থাকলেও এখন চীন সে স্থান দখল করেছে। গত এক দশকে চীন থেকে আমদানি বেড়েছে প্রায় চার গুণ। আর অর্ধেক ভারত থেকে।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, 'আগে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ভারত সবচেয়ে বড় অংশীদারিত্ব হলেও এখন তা স্থান চীনের। আবার অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ভারত কম মূল্যে পণ্য দিতে পারে না।'

২০১৬ সালে ঢাকায় চীনের প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর থেকে বেগবান হয় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। শিল্প কাঁচামাল, কারখানার ভারি যন্ত্রপাতিতে বড় নির্ভরতা চীনা পণ্য। আর স্থলবন্দর থাকায়, ভোগ্যপণ্যের চাহিদার বড় অংশ মেটাচ্ছে ভারতীয় পণ্য।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, 'চীন এবং ভারতের মধ্যে এখন একটা দ্বিপাক্ষিক একটা টানাপোড়েন চলছে। কিন্তু, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রবেশ না করে আমরা চেষ্টা করব দু’দেশের সঙ্গেই বাণিজ্যিক সম্পর্ক, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ সম্পর্ক বৃদ্ধি করে কিভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা যায় এবং বাণিজ্য সুবিধাকে কাজে লাগানো যায়।'

২০১৯ সালে ভারতের বিনিয়োগ এসেছে ১৫ কোটি। সেখানে চীনা বিনিয়োগ ১৪০ কোটি। তবে বিনিয়োগ বাড়িয়ে, বিভিন্ন দেশে ঋণের ফাঁদ তৈরি করছে চীন এমন প্রচারও আছে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের