সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


আমাদের সত্যিকারের সুপারহিরােদের গল্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এহসান সিরাজ।।

পশ্চিমা ও হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের মুসলিম সন্তানরা কী শিখছে? টিভি- ইন্টারনেটের বদৌলতে ছােটবেলায় তারা মূলত শিখছে হ্যারি পটার, সুপার হিরাে, ডিসি- মার্ভেল কমিকের সুপারম্যান, আয়রনম্যান, ব্যাটম্যান; হিন্দুদেবতা রাম, ভীম, শিব, দূর্গা আর ঠাকুরমার ঝুলির। অজস্র মনােহরী গল্প। শুধু কি তাই, আমাদের সাহিত্যেও ছড়িয়ে আছে ভূত-প্রেত, রাক্ষস- দানব, ড্রাকুলা, ভ্যাম্পায়ারসহ অতিলৌকিক হাজারও চরিত্র ও রূপকথা।

এগুলােই আমরা আমাদের সন্তানদের শােনাই, এগুলাে দিয়ে তাদের পড়তে শেখাই, তাদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করি। একটা সময় গিয়ে দেখা যায়, এই মিথ্যা ও কাল্পনিক গল্পগুলাে শিশুদের মনে এমনই প্রভাব ফেলে, তারা বিশ্বাস করতে শুরু করে পৃথিবীর সকল ধ্বংস ও অন্যায়কে রুখতে পারে কেবলই সুপারহিরাে, রূপকথার নায়ক আর হিন্দুদের দেব-দেবীরা।

এসব চরিত্র ও গল্প আমাদের সন্তানদের মনে অবচেতনভাবে তৈরি করে বিশ্বাসের সংকট। ফলে, একটু বড় হলে যখন আমরা আমাদের সন্তানদের ইসলাম ও ইবাদত পালনের কথা বলি, সেগুলাে তাদের মনে কোনাে রেখাপাত করে না। নবী, সাহাবি, আউলিয়া, আলেম আর পীর-মাশায়েখের জীবন ও জীবনের গল্প যখন তাদের শােনাই, সেগুলাে তাদের কাছে পানসে লাগে। একদমই মনে দাগ কাটতে চায় না। বিশ্বাসের সংকট তাদের মনের মধ্যে ধর্মপালনে অনীহা সৃষ্টি করে। ইসলামি অনুশাসনের পবিত্র পিঞ্জরে আগলে রাখা সম্ভব হয় না তাদের মন ও মনন।

এজন্য শিশু বয়সেই সন্তানদের মন-মস্তিষ্কে স্থান দিতে হয় নবী-রাসুল, সাহাবি-তাবেয়ি আর ইসলামি আদর্শের চেতনা জাগানিয়া গল্প। কেননা, শিশু-কিশােরদের মনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে নানা স্বাদের গল্প। হরেক রকম গল্প। গল্পের বুনন তাদের মনের মধ্যে বুনে দেয়। বিশ্বাসের চারাগাছ। তাই তাদের শােনাতে হয়, দেখাতে হয়, পড়াতে হয় সত্য গল্প। যে গল্প তাদের জীবনকে উজ্জীবিত করবে ইসলামের পথে, যে গল্প আলােকিত করবে ইহকাল এবং পারলৌকিক জীবন। আমাদের সত্যিকারের সুপারহিরাে তাে এইসব মানুষরাই। নবীগণ, সাহাবিগণ, অলিআউলিয়া, পীর- আলেম—এরাই তাে আমাদের সবচে’ শক্তিশালী সুপারহিরাে। তাদের জীবনের অসংখ্য ঘটনা, গল্প, উপদেশ বদলে দিতে পারে আমাদের জীবনের মােড়।

তাদের ত্যাগ আর চমকে দেয়ার মতাে জীবন আমাদের সন্তানদের সামনে খুলে দিতে পারে শিক্ষাগ্রহণের নতুন এক দুয়ার। যে অনন্ত দুয়ারকে আমরা অবহেলাভরে দূà¦