রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

এবার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজধানী ঢাকার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে অবহেলাজনিত কারণে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে প্রসূতির স্বামী এস এ আলম সবুজ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পরে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব দেন। একই সঙ্গে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

মামলার বাকি পাঁচ আসামি হলেন- গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসরিন, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. দেলোয়ার হোসেন, ডা. শওকত আলী আরমান এবং নার্স শংকরী রানী সরকার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভালো চিকিৎসা পাবেন, সেই আশায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রসূতি নাসরিন আক্তার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে প্রসব বেদনা উঠলে স্বামী সবুজ বিষয়টি কর্তব্যরত নার্স শংকরী রাণীকে অবহিত করেন। কিন্তু বারবার জানানোর পরও নার্স তেমন গুরুত্ব দেননি।

‘এক পর্যায়ে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে যায়। তখন সবুজ আবারও শংকরী রাণীকে ডাক্তার ডাকার অনুরোধ করলে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক শুভ ও নুপুরকে আসেন। তারা দুজন এসে চেকআপ করেন এবং সবকিছু ঠিক আছে বলে চলে যান।’

এরপর শংকরী রাণী ডা. দেলোয়ার হোসেন ও ডা. নাসরিনকে আসার জন্য ফোন করা হয়েছে বলে জানালেও কোনো ডাক্তার আসেননি। এমতাবস্থায় ভিকটিম স্যালাইন, ব্যথানাশক ওষুধ প্রয়োগের অনুরোধ করেন।

কিন্তু সেটা না করে উল্টো ভিকটিমকে জোর করে বাচ্চা প্রসব করান শংকরী রাণী। এ সময় একটি মেয়ে সন্তান প্রসব হয়। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিকটিমের মৃত্যু হয়।

-এটি

<