আওয়ার ইসলাম: মুসলমানদের বিষয়ে নানা ভীতিকর কথা জেনে বড় হয়েছেন ড্রিউ বিনস্কি নামের এক ইহুদি। তবে শখ ও পেশাগত কারণে তিনি ভ্রমণ করেছেন বিশ্বের ১৫০টিরও অধিক দেশ। তার মধ্যে প্রায় ৪০টি রয়েছে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। আর এসব দেশে ভ্রমণ করে তার শৈশবে মুসলমানদের বিষয় শোনা তার সব ভীতিকর বক্তব্যকে ঠুনকো, মিথ্যা আর অপপ্রচার বলে মনে হয়েছে।
ড্রিউ বিনস্কি মূলত একজন গলফার। ১৯টি দেশে তিনি গলফ খেলেছেন। তিনি এসেছেন ভারতেও। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও কাটিয়েছেন অনেকটা সময়। আর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তার গমনাগমন রয়েছে নিয়মিত।
ভ্রমণ তার নেশা ও পেশা। এসব দেশে দেশে ঘুরে তিনি ভিডিও তৈরি করেন, ব্লগ লেখেন। সেই ড্রিউ বিনস্কি ৪০টি মুসলিমপ্রধান দেশ ভ্রমণ করার পর তৈরি করেছেন এমন একটি ভিডিও যেখানে তিনি জানিয়েছেন, সত্যিকারের ইসলাম কী? মুসলমানরা কেমন আর মুসলিম সংস্কৃতির কোন বিষয়গুলো তার প্রচণ্ডরকম ভালো লেগেছে।
তার সোশ্যাল মিডিয়া পেজ ড্রিউ বিনস্কিতে পোস্ট করা ভিডিওটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইতিমধ্যে ৫৭ লক্ষবারের বেশি দেখা হয়ে গেছে ভিডিওটি।
ভিডিওতে তাকে বলতে দেখা গেছে, ইসলাম পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম যার অনুসারীর সংখ্যা ১.৬ বিলিয়ন। আমি এতোগুলো দেশ ভ্রমণের পর মুসলিম সংস্কৃতিকে ভালবেসে ফেলেছি।
তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই ইসলাম সম্পর্কে ভীতিকর মন্তব্য শুনে শুনে বড় হয়েছি৷ আমাকে অনেকেই মুসলমানদের এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিত। আমাকে বলা হতো, মুসলমানরা খারাপ লোক। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এরা জড়িত। তবে আমি যতই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের সঙ্গে মিশতে শুরু করেছি ততই অভিভূত হয়েছি। ততই মুসলমান সংস্কৃতির প্রেমে পড়েছি।
ভিডিও’র এক পর্যায়ে তিনি জানান মুসলিম সংস্কৃতির কোন কোন বিষয়ের প্রতি তিনি অনুরক্ত- এক. বিনস্কি তার ভ্রমণ অভিজ্ঞতার আলোকে দেখেছেন, মুসলমানেরা ভীষণ পরিবারকেন্দ্রিক। পাশ্চাত্য দেশগুলোতে যেখানে পারিবারিক বন্ধনগুলো ঠুনকো সেখানে মুসলমানদের মধ্যে পরিবারপ্রীতি তুলনামূলক অনেক বেশি। তিনি বলেন, মুসলমানরা তাদের বাবা, মা এমনি দাদা দাদীর সাথেও মধুর সম্পর্ক রক্ষা করে। তাদের দেখভাল করে, দায়িত্ব পালন করে। অথচ মুসলমানদের এই পারিবারিক বন্ধন অমুসলিম দেশগুলোতে অনুপস্থিতই বলা চলে।
দুই. কোনো মুসলমানের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর মুসলমানরা তাকে “à¦