মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিন ওরফে শাহনূরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের প্রেমিক ইফতেখার ফারদিন দিহানকে আটক করেছে পুলিশ। শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি দিহানের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা মেডিকেলের ফেরনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, বিকৃত যৌনাচারের কারণেই এ মর্মান্তিক ঘঠনা ঘটেছে। আনুশকার মৃত্যু ও আমাদের দায়ভার। এ বিষয়ে আওয়ার ইসলামের সঙ্গে ভাবনা বিনিময় করেছেন খাগড়াছড়ির কয়েকজন চিন্তাশীল তরুণ, লেখক ও গবেষক।
তরুন উদ্যোক্তা, খাগড়াছড়ি কওমী মাদ্রাসা ও ওলামা ঐক্য পরিষদ রামগড় উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, হাফেজ আবদুল মালেক বলেন, আলোচিত ঢাকার কলাবাগানে ঘটে যাওয়া নির্মম হৃদয়বিদারক যে ঘটনায় প্রত্যেকটা মানুষের হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে তা একমাত্র পশ্চিমা কালচার কে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাকে অবজ্ঞা ও গুরুত্ব না দেওয়ার বহিঃপ্রকাশ নয় কি ? বর্তমান আধুনিক বিশ্বে প্রত্যেকটা মুসলমানের সন্তান কে দুনিয়াবী শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক অপরিহার্য করলে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা কখনো ঘটবেনা।
আমরা সহশিক্ষার বিরোধিতা করছিনা আমরা পর্দা না করার বিরোধিতা করতেছি আজ পর্দা না করার ফলে একটা পরিবার থেকে নিয়ে সমাজ দেশ জাতি সকলে স্তম্বিত।
যুব নেতা, ইসলামী যুব আন্দোলন খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি, মাওলানা মহিউদ্দিন বিন সুরুজ বলেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক দূর্ঘটনার পিছনে ভিকটিমের কথিত প্রেমিক যেভাবে দায়ী ঠিক তেমনি ভাবে দায়ী তার পরিবার ও রাস্ট্র ব্যবস্থা। আমি মনে করি আনুশকার সাথে দিহানের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। এবং এবিষয়ে তার পরিবার অবশ্যই জ্ঞাত ছিলেন। সহ শিক্ষা ও প্রি-মাইন্ডের দোহায় দিয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পরেও তারা একসাথে গ্রুপ স্টাডি করতো। যা ইসলাম প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পর সম্পূর্ণ হারাম করেছেন। কিন্তু এ ব্যপারে তাঁর মা বাবার কোন সতর্কতা ও সজাগ দৃষ্টি ছিলনা।
এখানে মা বাবা ও পারিবারিক উদাসীনতা ও দ্বায়িত্বহীনতা এজন্য দায়ী যে, মা বাবার কর্তব্য হলো তার সন্তানের ভালো মন্দের খোজ খবর রাখা। সতর্ক থাকা, সোচ্চার থাকা। আদরের সন্তান কি করে? কোথায় যায়? কার সাথে মিশে? এসব বিষà