মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


রমজানের জুমআ মুমিনের জন্য বড় প্রাপ্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আহসান শরিফ।।

মহান আল্লাহ সৃষ্টিজীবের সবাইকে সমান মর্যাদা দেননি। কাউকে কারো ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন। তিনি ক্ষমতা ও মর্যাদার মালিক। রহমত ও বরতককে বিভাজন তিনিই করেন। তার রহমতের তাওয়াজ্জুহ যে ব্যক্তি বা বস্তুর ওপর পড়ে তা সম্মানিত হয়ে যায়। তার অসন্তুষ্টির দৃষ্টি যার বা যে বস্তুর ওপর পড়ে, তা ধ্বংশ হয়ে যায়।

তিনি আরবের জনমানবহীন অনাবাদ মরুভুমিকে নির্বাচন করেছেন, তা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ শহরে পরিণত হয়ে গেছে। তিনি আজরের মতো মূর্তিপুজকের বংশের দিকে রহমতের দৃষ্টি দিয়েছেন, সেখান থেকে নবী ইবরাহিম খলিলুল্লাহর জন্ম হয়েছে। তিনি জিবরাঈল, ইসরাফিল, মিকাইল ও আজরাঈল ফেরেশতাকে অন্যসব ফেরেশতা থেকে মর্যাদা দিয়েছেন। নবী হজরত ইবরাহিম, হজরত মুসা, হজরত ঈসা এবং হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অন্যান্য নবীগণ থেকে বেশি মর্যাদা দিয়েছেন। রজব, শাবান, মুর্হারম এবং রমজান মাসকে অন্যসব মাস থেকে মর্যাদা দিয়েছেন। হজরত আবু বকর রা., হজরত উমর রা., হজরত উসমান রা. এবং হজরত আলী রা.কে অন্যসব সাহাবি থেকে বেশি মর্যাদা দিয়েছেন। ইমাম আবু হানিফা রহ., ইমাম মালিক রহ., ইমাম শাফেয়ি রহ. এবং ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ.কে অন্যসব মানুষ থেকে মর্যাদা দিয়েছেন। এমনিভাবে কদরের রজনি, বরাতের রজনি, দ্ ুঈদের রজনি এবং জুমার রজনিকে তিনি অন্যসব রজনি থেকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।

এখানেও আবার জীবরাঈল আ.কে অন্য সব ফেরেশতার ওপর মর্যাদা দিয়েছেন। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অন্যসব নবী থেকে মর্যাদা দিয়েছেন। কুরআনুল কারিমকে অন্যসব কিতাব থেকে মর্যাদা দিয়েছেন। হজরত আবু বকর রা.কে অন্যসব সাহাবি থেকে মর্যাদা দিয়েছেন। এভাবে জুমার দিনকে সপ্তাহের অন্যসব দিন থেকে মর্যাদা দিয়েছেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে ঈমানদারগণ, জুমার দিনে নামাজের জন্য আহ্বান করা হলে দ্রুত আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা বন্ধ করে দাও। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ। অর্থাৎ বেচাকেনায় প্রকাশ্য লাভ থাকলেও নামাজে রয়েছে এরচেয়ে অধিক লাভ। যা তোমরা দেখ না। [সুরা জুমআ, আয়াত : ০৯]

হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সূর্য উঠিত হওয়া দিনগুলোর সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন। কেননা, এ দিনে হজরত আদম আলাইহিসসালামের সৃষ্টির পূর্ণতা লাভ করেছে, তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনেই তà¦