বাজেট। একটি দেশের অর্থ বছরের আগাম অনুমান ভিত্তিক আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ। এর মাধ্যমে একটি দেশ তার অর্থনৈতিক ভবিষ্যত পরিকল্পনা নির্ধারণ করে। বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সবার মতামত নেওয়া হলেও আলেমদের কোনো মতামত নেওয়া হয় না। বাজেট প্রণয়নে আলেমদেরও মতামত নেওয়া উচিত বলে মনে করেন ইসলামী অর্থনীতিবিদগণ। সম্প্রতি আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে আওয়ার ইসলামের মুখোমুখি হয়েছেন রাজধানীর জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগের ইফতা বিভাগের প্রধান সহকারী মুফতি আব্দুল্লাহ মাসুম। আলাপ করেছেন খোলামেলা। তুলে ধরেছেন বাজেটের নানাদিক।
মুফতি আব্দুল্লাহ মাসুম এ্যাওফি বাহরাইন এর সার্টিফাইড শরীয়াহ্ এ্যাডভাইজর এ্যান্ড অডিটর। ওয়ার্কিং গ্রুপ মেম্বার, এ্যাওফি গভর্নেন্স এন্ড এথিকস বোর্ড, বাহরাইন এর সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, আইএফএ কনসালটেন্সি লি.। তার সাথে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের নিউজরুম এডিটর মোস্তফা ওয়াদুদ।।
-বাজেট বলতে আসলে কী বুঝায়?
আব্দুল্লাহ মাসুম: বাজেট মূলত একটি দেশের অর্থ বছরের আগাম অনুমান ভিত্তিক আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ। এর মাধ্যমে একটি দেশ তার অর্থনৈতিক ভবিষ্যত পরিকল্পনা নির্ধারণ করে। বিজ্ঞজনের মতে ‘বাজেট’ (Budget) শব্দটি ফরাসী শব্দ Bougette থেকে উৎপত্তি। অর্থ হলো ‘চামড়ার ব্যাগ বা থলে’। বলা হয়, ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী বিবৃতি দানের উদ্দেশে সরকারি হিসাব নিকাশের কাগজপত্র থলের মধ্যে নিয়ে পার্লামেন্টে যেতেন। সে ধারণা থেকেই বাজেট শব্দের উৎপত্তি । ঐতিহাসিকগণের মতে, শব্দটি ১৭৩৩ সাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
লক্ষ্য করলে দেখবেন, সেই রীতি অনুযায়ী এখনো বাজেট ঘোষণার দিন অর্থমন্ত্রী মহোদয় একটি চামড়ার ব্যাগ নিয়ে সংসদে গমন করেন। একাডেমিক ভাষায় বাজেট বলা হয়- ‘একটি নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক অর্থ বছরে) সরকারের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত খতিয়ানকে বাজেট বলা হয়।’
বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে এক অর্থবৎসর, যা এক বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত। আমাদের দেশে প্রতি বছর জুন মাসে বাজেট ঘোষণা হয়। সুতরাং ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণ এক বছর সরকারের আয় ও ব্যায়ের সম্ভাব্য হিসাব দাখিল করাই মূলত বাজেট।
-বাজেটকে ইসলামী অর্থনীতি কিভাবে মূল্যায়ণ করে?
আব্দুল্লাহ মাসুম: যেমনটি à