সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


বর্তমানে ছাত্র-উস্তাদের সম্পর্কটা কেবল দরসের মধ্যেই আবদ্ধ: মুফতী মনসূরুল হক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শিক্ষা বর্ষের শুরুতেই কওমি শিক্ষার্থীদের জীবনের গতিপথ নির্ধারণ ও প্রায় হারাতে বসা এই অঙ্গনের চির ঐতিহ্য -‘শিক্ষকের প্রতি ছাত্রদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা-ভক্তি ও সম্মান প্রদর্শন’ বিষয়ে তিন পর্বের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারের প্রথম দুই পর্বে  আওয়ার ইসলামের সাথে কথা বলেছেন দেশের খ্যাতিমান আলেম ও জামিয়াতুল আবরার রাহমানিয়া মাদরাসার প্রধান মুফতি, শাইখুল হাদিস মুফতী মনসুরুল হক।

আজকের এই তৃতীয় পর্বে তিনি কথা বলেছেন ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে দূরত্ব ও তার প্রতিকার নিয়ে।  পাঠকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সাক্ষাৎকারটি তুলে এনেছেন আওয়ার ইসলামের সাব- এডিটর নুরুদ্দীন তাসলিম।

 

 আপনাদের ও বর্তমান ছাত্রদের জীবনে মৌলিকভাবে কি কি পরিবর্তন দেখেন?

পৃথিবী পরিবর্তনশীল। এই অল্প কয়েক দশকের মঝেই ছাত্রদের মাঝে বেশ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর কিছু বিবরণ তুলে ধরতে চাইলে বলতে হবে:-

১. উস্তাদ ও ছাত্রদের মাঝে সম্পর্কটা কেবল দরসের সীমায় আবদ্ধ। দরস শেষে দু‘জন যেন দু‘জগতের লোক। বরং কোন কোন নালায়েকের দেহ দরসে আটকা পড়লেও তার মন সারা দুনিয়ায় বিচরণ করে।

মূলকথা: উস্তাদ ও ছাত্রের সম্পর্ক এখন নিভু নিভু প্রদীপের মত। অনেক ছাত্র পড়া শেষ করার পরে জীবনেও উস্তাদের সাক্ষাতে আসে না। কোন খোঁজ খবর রাখে না। প্রসিদ্ধ আছে - ইলম বলে থাকে তুমি তোমার সবটুকু আমার জন্য বিলিয়ে দিলে আমি আমার কিছু অংশ তোমাকে দান করবো। এর দ্বারা স্পষ্ট বুঝা গেলো যে, অমনোযোগী ছাত্র ইলমের কিছুই পাবে না। কিছু মা‘লুমাত পেতে পারে. যা কোন উদ্দেশ্য নয়। ইলম ও মা‘লুমাতের মধ্যে আসমান যমীনের পার্থক্য। মা‘লুমাতকে ইলম করতে হলে মনোযোগ ও আল্লাহ ওয়ালাদের সোহবত জরুরি।

২. বর্তমানে ছাত্রদের বাইরের জগতের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি হয়ে লেখা-পড়ায় মন বসে না। অথচ সফল ছাত্র হওয়ার পূর্বশর্ত হল সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে একাগ্রতার সাথে পড়া-লেখা করা।

৩. মোবাইল-ফোনের এ মরণব্যাধà