।।কাওসার আইয়ুব।।
হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বর্ণনা করেন من لم يسال الله يغضب عليه- যে আল্লাহর কাছে চায় না আল্লাহ তার উপর নাখোশ হন। (তিরমিযি ৩৩৭৩)
আমরা প্রতিদিন কত সমস্যায় পড়ি। কত অভাবে ভুগি। মানসিক অস্থিরতায় নিপতিত হয়। তখন আমরা সব কাজ করতে রাজি হয়ে যাই। মানুষের কাছে ধর্ণা দিতে আমাদের মনে বাধে না। মাখলুকের কাছে হাত পাততে আমাদের গায়ে লাগে না।
কিন্তু যিনি আমাদের রব, যার থেকে সকল সমস্যার সমাধান আসে; তার দরবারে ভিখারি হওয়ার তাওফিক আমাদের হয় না। আমরা মানুষের কাছে গিয়ে নিজেকে ছোট করতে পারি। কিন্তু মালিকের সামনে কাকুতি-মিনতি করতে আমাদের সময় হয় না। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, মানুষের কাছে চাইলে তারা নাখুশ হোন আর আল্লাহর কাছে না চাইলে আল্লাহ তাআলা রাগান্বিত হোন।
মানুষের কাছে যেকোনো সময় চাওয়া তো দূরের কথা, যে কোন সময় দেখা-সাক্ষাতও করা যায় না। মন মেজাজ খারাপ থাকলে, অসময়ে দেখা করতে গেলে তারা বরং রেগে যায়। অথচ আল্লাহ তাআলার কাছে যখন ইচ্ছা চাওয়া যায়। যখন ইচ্ছা হাত পাতা যায়।
তাঁর করোনার দরবার সব সময় খোলা। শেষ রাতে যখন সবার দরজা বন্ধ হয়ে যায় তখন আল্লাহ তাআলার রহমতের বিশেষ দরজা খুলে দেওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ রাতে জেগে আল্লাহরকাছে দোয়া করে, আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করেন। আর যদি ওই ব্যক্তি ওজু করে এবং নামাজ আদায় করে তবে সে নামাজও কবুল করা হয়।’ (বুখারি, মিশকাত) কত মহান আমাদের রব। কত মহান আমাদের প্রভু رضيت بالله ربا- হে আল্লাহ রব হিসেবে আমরা তোমার উপর সন্তুষ্ট।
হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু কে রাসূল সা. নসিহত করেন, তোমার কোন কিছু চাওয়ার দরকার হলে আল্লাহর কাছে চাও, তোমার যদি সাহায্যের দরকার হয় আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করো। জেনে রেখো যদি গোটা জাতিও তোমার কোন উপকার করার জন্য একত্রিত হয় তবে ততটুকু উপকারই করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন আর গোটা জাতি যদি তোমার কোন ক্ষতি করার জন্য সমবেত হয়, তবে ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন। (তিরমিজী)
তাই আমরা আমাদের হৃদয়ের সকল আকুতি মিনতি রবের দরবারে নিবেদন করব।
কিন্তু আমরা অনেকেই আল্লাহর কাছে চাইতে জà