সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
এলপিজির দাম বাড়িয়ে সরকার দুর্বৃত্তদের পক্ষ নিয়েছে: গাজী আতাউর রহমান কাবার সরাসরি ওপরে অবস্থান করল চাঁদ! ফজরের আজানের মাঝখানে মুয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাত! শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ বানাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী নবীজির বিনয় থেকে উম্মতের শিক্ষা শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ, তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের নির্দিষ্ট জায়গায় বসলে হকারদের উচ্ছেদ করা হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ৫ নভেম্বর কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না: পীর সাহেব দেওনা

চলতি বছরেই সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চলতি বছরের মধ্যেই সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেটের জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (৭ জুলাই) ঢাকায় এফোরএআই আয়োজিত ব্রডব্যান্ড পলিসি ২০২১ (প্রস্তাবিত) রিভিশন শীর্ষক ভার্চুয়াল কর্মশালায় এসব কথা বলেন মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৭১টি দ্বীপ সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে। হাওর ও দুর্গম চরসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এ ছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজারেরও বেশি ওয়াইফাই জোন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

ব্রডব্যান্ড পলিসির খসড়া প্রণয়নে এফোরএআই এর ভূমিকার প্রশংসা করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, সামনের দশ বছরের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে একটি লাগসই নীতিমালা তৈরি করছে সরকার। এই নীতিমালাকে কেবল ব্রডব্যান্ড নীতিমালা নয় এটি সবদিক বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ইন্টারনেট নীতিমালা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হলেও ১৯৯৭ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ মোবাইল যুগে প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, ১৯৯৭সালে পর ২জি, ২০১৩ সালে থ্রি জি এবং ২০১৮ সালে ফোরজি নেটওয়ার্ক যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ ৫জি যুগে প্রবেশের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফাইভজি প্রযুক্তি আগামী দিনের শিল্পের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। আমরা কৃষিতেও এই প্রযুক্তি কাজে লাগাতে পারবো।

সরকার টেলিকম অ্যাক্ট নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সংযোগ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ডিজিটাল মহাসড়ক হিসেবে কাজ করছে।

করোনাকালে জীবনযাত্রা সচল রাখতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, আমরা টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিকে সাথে নিয়ে শিক্ষার্থীদের সহায়তার চেষ্টা করছি।

এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে আমাদের আলোচনাও হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বল্প মূল্যে কিভাবে স্মার্টফোন সরবরাহ করা যায় এ বিষয়টি নিয়েও আমরা কাজ করছি।

ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে ডিজিটাল কনটেন্ট এর চাহিদা পূরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, করোনাকালে স্থানীয় কনটেন্ট এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সেই বিবেচনায় করে পাঠ্যক্রম ডিজিটাল কনটেন্টে রূপান্তর করা উচিৎ বলেও মনে করেন তিনি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ