সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

প্রকাশকের সুখ-দুঃখ: ‘করোনার প্রভাবে কেউ হয়তোবা ছেড়ে দিতে পারেন এই পথ’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

করোনার দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাবে লোকসানের মুখোমুখি ব্যবসা-বাণিজ্য অফিস-আদালতসহ প্রায় সব খাত।  দেশের বৃহত্তম বইয়ের বাজার ‘বাংলাবাজারে’র প্রকাশকদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ। বইপ্রেমীদের আনাগোনা আর বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজে যেখানে সকাল থেকে রাত অবধি থাকতো ব্যস্ত দৌড়ঝাঁপ, সেখানে এখন প্রায় সময় দেখা মেলে শুনশান নিরবতা। ভিতরে প্রবেশ করলেই যেখানে আগে শোনা যেত ছাপাখানা থেকে ভেসে আসা বই ছাপানো যন্ত্রের আওয়াজ; সেখানকার চিত্র এখন অনেকটাই ভিন্ন। এর অন্যতম কারণ করোনা মহামারী থেকে সুরক্ষায় বিভিন্ন সময়ে নানা মাত্রিক বিধি নিষেধ। এর ফলে বড় ধরনের লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রকাশকদের। তাদের নানা ধরনের সুখ দুঃখের কথা তুলে ধরতে আওয়ার ইসলাম কথা বলেছে অভিজাত লাইব্রেরি কালান্তর প্রকাশনীর পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সাথে।

প্রতিবেদক নুরুদ্দীন তাসলিমের সাথে তার শেয়ার করা সুখ-দুঃখের অনুভূতিগুলো তুলে ধরা হল পাঠকের সামনে।


 

 করোনাকালে কেমন কাটছে আপনাদের সময়?

আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। কিন্তু অফিস, বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ থাকলে তো কোনোকিছু স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা সম্ভব নয়। আর এমনিতে বাসায় সময় কাটছে।

রমজানের পর কওমি মাদ্রাসাগুলোর বছরের শুরুতে অনেক বড় ধরনের আয় করে থাকে প্রকাশনীগুলো। গত দু'বছর ধরে সেই সুযোগ পাচ্ছেন না, এতে কি ধরনের লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছেন এবং তা কাটিয়ে উঠতে কি করছেন?

লোকসানের হিসাব বের করা কঠিন। যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা কোনোভাবেই পুষিয়ে তোলা সম্ভব নয়। অনেকেই ব্যবসা বাদ দিয়েছেন, কেউ বাদ দেওয়ার চিন্তা করছেন। কারণ, ভাড়া, স্টাফ বেতন এগুলো এভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আর ক্ষতি তো চলমান, কাটিয়ে ওঠার সময় কই?

প্রকাশনাগুলোর অধীনে যে লেখকরা লেখালেখি করে থাকেন দীর্ঘ লকডাউনের কারণে তাদের সম্মানী দিতে কোন ধরনের বেগ পেতে হচ্ছে কিনা?

জি, বেগ পেতে হয়েছে। সাধারণত তো আমরা ব্যবসার টাকা থেকেই বাকি কাজ করি। কিন্তু দীর্ঘদিন মন্দা বা বন্ধ থাকায় ঠিকমতো বেতন বা সম্মানী দেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

বাধাই খানার গল্প এবং কাগজ কিনতে কোন ধরনের বাকি ও ঋণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে কিনা এ ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন?

আমরা কাগজ