আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শ্রাবণের শেষভাগে ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল নাগরিক জীবন। অতিরিক্ত গরমে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু গরম কমছে না। বরং বৃষ্টির পর গরম যেনো আরো বেড়ে যায়। এতে সুস্থ সবলরাই ঘেমেনেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে শ্রমজীবী, রান্নার কাজে নিয়োজিত গৃহিণীরা, গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন রোগে আক্রন্তদের অবস্থা আরো নাজুক। ভ্যাপসা গরমে কী কী অসুস্থতা হতে পারে জেনে নিন-
ভ্যাপসা গরমে কী কী অসুস্থতা হতে পারে
এমন গরমে অতিরিক্ত কাজ, খেলা বা ব্যায়াম করলে পেশিতে তীব্র ব্যথা হতে পারে। একে বলে হিট ক্র্যাম্প। ঘাম ও তীব্র রোদের কারণে র্যাশ হতে পারে চামড়ায়।
ভ্যাপসা গরমে খুব বেশি ঘাম হয়। অনেকেই দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়েন। যারা অসুস্থ তাদের শ্বাস দ্রুত হতে থাকে। এমন অবস্থায় ততক্ষনাৎ ব্যবস্থা না নিলে হিট স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
হিট সিনকোপ সমস্যায় অসুস্থ রোগীরা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। আবার অনেক সময় হিট স্ট্রোকে তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকায় হঠাৎ শরীরের তাপ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রির ওপরও হতে পারে। এটা কিন্তু জ্বর নয়। এর সঙ্গে ঘাম হয় না হলে শরীরের তাপ বেরোতে পারে না। এর ফলে বিপদ হতে পারে।
ভ্যাপসা গরমে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
রান্নাবান্না শেষ করেই এসি চালিয়ে বিশ্রাম নিলে কিংবা বাইরের গরম অবস্থা থেকে এসে ঘাম না শুকিয়ে ঠাণ্ডা পানি খেলে বা ঠাণ্ডা ঘরে বিশ্রাম নিলে জ্বর, সর্দি-কাশি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়।
সারাদিন খুব ভ্যাপসা গরমের পর সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টি হলে এলে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যায়। এ সময়টাতে অ্যাজমা রোগীদের নিশ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। তাপমাত্রার ওঠা-নামায় অ্যাজমা রোগীদের অ্যাটাক হতে পারে।
ভ্যাপসা গরমে অসুস্থতা থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে
এ সমসয়টাতে যারা সুস্থ আছেন তাদের প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করা উচিত। প্রসাবের রঙ হলুদ হয়ে গেলে বা প্রসাবের পরিমাণ কমে গেলে পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। আর যদি পানি খাওয়ায় বিধি-নিষেধ থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
রোদে বের হলে সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ছাতা, টুপি, সানগ্লাস ও হালকা সুতির পোশাক পরুন। এসব আপনাকে গরম থেকে সুরক্ষা দেবে।
ডিহাইড্রেশন এড়াতে চা-কফি ও কোমল পানীয় খাওয়া কমিয়ে দিন। এ সময় ভাত, ডাল, সবজি, মাছ খাওয়াই ভালো। হালকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন এব