সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


তালিবে ইলমদের প্রতি মাওলানা আব্দুল মালেকের ৭ উপদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক।।

আলহামদুলিল্লাহ ওয়াসালামুন আলা ইবাদিহিল্লাযি নাসতাফা আম্মা বা’দ। আমাদের মাদরাসাসমূহে আরেকটি শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ। এ মুহূর্তে দিল ও যবান যেমন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শোকরে সারশাদ হওয়া দরকার তেমনি পিছনের জীবনের মুহাসাবা করাও জরুরি এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে সবক হাসিল করে আগামী শিক্ষাবর্ষটিকে ইলম, আমল, আদাব-আখলাক এবং যিকর ও ফিকর সব দিক থেকেই উন্নত বানানোর একান- প্রচেষ্টা চালানো জরুরি।

এ প্রসঙ্গে আমার সর্বপ্রথম দরখাস- হল আসসানাতাল আতিয়া-এর ধোঁকা থেকে নিজেকে হিফাযত করা বা কমপক্ষে এই ধোঁকায় পতিত হওয়ার অনুভূতিটুকু হারিয়ে না ফেলা।

শায়খ কাউসারী রাহ. বলেছেন, ‘ইনদানা ফি তুরকিয়া মাছালুন ইয়াকুলু লাও শাকাকতা আন কালবি তালিবি ইলমিন লা ওয়াজাদতা ফিহী মিআতা মাসআলাতিন মাকতুবিন আলাইহা আসসানাতাল আতিয়া।’ (তরজমা) ‘আমাদের তুর্কিস্তানে প্রবাদ আছে যে, তুমি যদি কোনো তালিবে ইলমের কলব বিদীর্ণ কর তাহলে তাতে এক শ’টি মাসাআলার ক্ষেত্রে লেখা পাবে: ‘‘আগামী বছর’’।’ আল্লাহ আমাদের হালত এমন না করুন।

দ্বিতীয় দরখাস- হল আমি কিতাব বুঝি কি বুঝি না তা বুঝতে যেন ভুল না করি। অনেককে দেখা যায় নিজের ব্যাপারে নিজেই ফায়সালা করে থাকেন যে, আমি কিতাব বুঝি। অথচ তার বোঝাটা সঠিক কি না সে কোনো উস্তাদ থেকে যাচাই করে নেয়নি। তাই অনেককে দেখা যায় বুঝার ব্যাপারে ভুল বুঝাবুঝিতে থাকেন। তাই আমার অনুরোধ হল, যে কোনো নতুন কিতাব চাই তা দরসী হোক বা দরসী কিতাবের কোনো শারহ হোক মুতালাআতে আসলে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বহছ মুতালাআ করে সাথীদের সাথে মুযাকারা করে নেওয়া এবং উস-াযকে শুনিয়ে নিজের ফাহম-এর জায়েযা নিয়ে নেওয়া। এ মূলনীতিটি ঐ সব কিতাব বা শারহের ব্যাপারে বেশি প্রযোজ্য যেগুলোতে ফন্নী উসলূব গালেব। যেগুলোতে শুধু তারকীব বা তরজমা বোঝা বিষয়টিকে যথাযথ অনুধাবন করার জন্য যথেষ্ট নয়।

মুখতাছারুল মাআনী, হেদায়া, জালালাইন, ফাতহুল কাদীর, ফাতহুল বারী, ফাতহুল মুলহিম, ফয়যুল বারী, মাআরিফুস সুনানসহ এ ধরনের আরো অনেক কিতাবের ব্যাপারে এই মূলনীতিটি খুব গুরুত্বের সাথে আমলে আনা জরুরি।

তৃতীয় দরখাস- হল আমরা যেন কিতাবি ইসতি’দাদের অর্থ বুঝতে ভুল না করি। কিতাবি ইসতি’দাদের সঠিক অর্থ হল ইবারত বিশুদ্ধ পড়তে পারা, নাহবী তারকীব বোঝা, শব্দগুলোর ছরফী রূপ এবং লুগাবি মাফহুম বুঝতে পারা। অতঃপর ইবারত থেকেই তার à