রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ফেনীতে দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় র‍্যাব সদস্য নিহত মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদারের ছেলের কবর জিয়ারতে বাদাশিকস নেতারা নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা ৪ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শরিয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশা বিনির্মাণে যৌথ মতবিনিময় পরপর তিন ভূমিকম্পে কাঁপল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল 

বসুন্ধরা মারকাজে আলেমদের উদ্দেশে হাকীম মুহাম্মদ কালিমুল্লাহর বয়ান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরুদ্দীন তাসলিম।।

মারকাযুল ফিকরিল ইসলামি (ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার) বসুন্ধরায়  খানকাহে ইমদাদিয়া আশরাফিয়া আবরারিয়া এর ১৮তম বার্ষিক ইহইয়ায়ে সুন্নত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওলামায়ে কেরামের জন্য অনুষ্ঠিত বিশেষ এই ইজতেমায় পত্র মারফতে বয়ান করেছেন  শাহ আবরারুল হকে রহ.-এর জানেশীন দারুল উলুম দেওবন্দের অন্যতম শূরা সদস্য, মজলিসে দাওয়াতুল হক ও ভারতের আশরাফুল মাদারিসের নাজেম হাকীম মুহাম্মদ কালিমুল্লাহ।

বয়ানে তিনি বলেন, মজলিসে ইহইয়ায়ে সুন্নতের অধীনে ওলামায়ে কেরামের বিশেষ ইজতেমার খবর পেয়েছি। আল্লাহ তাআলা এই ইজতেমাকে কবুল করুন।

একটি নসিহত করতে চাই তাহল- যে কাজ করুন না কেন আল্লাহ তায়ালার জন্যই করুন। সব কাজে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিন। কাজ যত একনিষ্ঠতার সাথে করবেন ততই উন্নতি লাভ করবেন।

ওলামায়ে কেরামের উদ্দেশ্যে কিছু নিবেদন-

১) দ্বীনি মজলিসে অংশগ্রহণের পূর্বে নিজের নিয়ত ঠিক করে নিন। আমলের নিয়তে শুনুন। প্রত্যেক কাজে সুন্নত পদ্ধতি অবলম্বন করুন। এবং আমলের দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করুন।

২) যেই কাজেই করুন না কেন আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যেই করুন, কাজকে উদ্দেশ্য বানাবেন না। কাজের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টিই আসল উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য করুন।

প্রত্যেকেই নিজের উপর অর্পিত কাজ দায়িত্বশীলতার সাথে পালন করুন। চাই জিম্মাদার আপনার কাজ দেখুন কিংবা না দেখুন; আল্লাহ তায়ালা ঠিকই দেখছেন। তিনি সব সময় হাজির-নাজির; এ কথা মাথায় রাখুন।

আজকাল মাদরাসাগুলোতেও খেয়ানত ও আমানতহীনতার বিষয়টি স্বাভাবিক হতে চলেছে। মাদরাসায় সময় দেওয়ার ক্ষেত্রেও খেয়ানত করা হয়। মাদরাসার সামানা পত্রের ব্যাপারে সতর্কতা নেই। শুধু এই চিন্তা ভাবনা থাকে যে অর্থ ও মান সম্পদের ব্যবস্থা হয়ে যাক। সম্পদ কোথা থেকে আসছে এবং তার উৎসস্থল কেমন এসব নিয়ে কোনো চিন্তা ভাবনা নেই। হালাল হারাম বিষয়েও কোন ভাবনা নেই। এজন্য দিনদিন অবস্থা বেগতিক হতে চলেছে। মাদরাসার সংখ্যা বাড়ছে, বিল্ডিংগুলো দেখতে দৃষ্টিনন্দন। শারীরিক কাঠামো ঠিক আছে; কিন্তু আত্মিক বিষয়টির প্রতি কোনো গুরুত্ব নেই।

খানকাগুলোর অবসà