আবদুল্লাহ তামিম।। ফেসবুকে তুমুল আলোচিত-সমালোচিত সভা নিয়ে মুখ খুলেছেন যাত্রাবাড়ীস্থ মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার মহাপরিচালক শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরী। তিনি বলেন, আমার সদ্য ফেসবুক পেইজে ১মিলিয়ন ও ইউটিউবে ১লক্ষ সাবস্ক্রাইব হলেও নিজের ফেইসবুক পেইজে একটি পোস্টও করিনি এবং অনুষ্ঠানের কোন ভিডিও বা পিকচার ফেসবুকে পোস্ট করেনি, অনেকে না বুঝে সমালোচনা করছেন।
ইসলামী সাংস্কৃতিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক কলরবের আবু সুফিয়ান শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরীর সঙ্গে দেখা করতে তিনি এসব কথা বলেন। এ বিষয়ে গতকাল বুধবার আবু সুফিয়ানের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ। গতকাল ২৬ অক্টোবর শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরী সাহেবের মাদরাসার প্রধান কার্যালয় যাত্রাবাড়ীস্থ মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় গিয়েছিলাম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা হওয়া ফলোয়োর আর ইউটিউব সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে, যতটুকু জানলাম- মুলত তিনি কুরআন প্রতিযোগীতার অনুষ্ঠানের আগে এ বিষয় আলোচনা করতে গিয়ে বলেন যে, আমরা যারা অনলাইন ব্যাবহার করি, আমরা সবাই মিলে যদি কুরআন তিলাওয়াত/ওয়াজ /ইসলামী সংগীত ফেসবুক ইউটিউবে আপলোড করি, প্রচার করি, তাহলে কিন্তু অপসংস্কৃতি ধীরে ধীরে দুর হবে,যেটার মোকাবেলা যেটা দিয়ে করা উচিত আমরা সে পন্থা-ই বেছে নিতে হবে, তা নাহলে অপসংস্কৃতি দুর করা কঠিন হয়ে যাবে আমাদের জন্য, আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই ইউটিউব এবং ফেসবুকে যেন মানুষ গানের পরিবর্তে কুরআন তিলাওয়াত পায়, মানুষর সামনে দশটা গান চলে আসলে অন্তত ৫ টাও যেন কুরআনের তিলাওয়াত থাকে।

হাফেজ নেছার আহমাদ আন নাছিরী আরো বলেন ফেসবুক এবং ইউটিউবে আমার হাজারো পোস্টের মধ্যে একটি পোস্টও কুরআন ছাড়া নেই, আমি কুরআন প্রচারের জন্যই ফেসবুক এবং ইউটিউব ব্যবহার করি, তিনি বলেন আমার সদ্য ফেসবুক পেইজে ১মিলিয়ন ও ইউটিউবে ১লক্ষ সাবস্ক্রাইব হলেও নিজের ফেইসবুক পেইজে একটি পোস্টও করিনি এবং অনুষ্ঠানের কোন ভিডিও বা পিকচার ফেসবুকে পোস্ট করেনি,আমরা শুধু ঘরোয়াভাবে ফেসবুক ইউটিউবের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করছিলাম,যেহেতু এটা বড় একটি অনলাইন মাধ্যম, যারা ভুল বুঝে আলোচনা সমালোচনা করেছেন,তাদের মধ্যে এমনও আছে , যাদের ফলোয়ার মিলিয়ন হয় নাই; লাখ হয়েছে সেটাও ফেসবুকে পোস