রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পাঁচ মাসে দরিদ্রের হার বেড়েছে ৫ শতাংশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত নতুন করে দরিদ্রের সংখ্যা বেড়েছে ১৯.৫৪ শতাংশ। এই হার চলতি বছরের মার্চে ছিল ১৪.৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাঁচ মাসে দরিদ্রের হার বেড়েছে ৫ শতাংশ। গত বছর জুনে দরিদ্রের এই হার ছিল ২১.২৪ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার এক ওয়েবিনারে ‘জীবিকা, খাপ খাইয়ে নেওয়া ও উত্তরণে কোভিড-১৯-এর প্রভাব’ শীর্ষক ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) এবং পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) জরিপের চতুর্থ ধাপের এই গবেষণা তথ্য তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান।

গবেষণায় উঠে আসে, দেশে গত বছর মার্চে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ১৮ মাসে নতুন করে তিন কোটি ২৪ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে। মার্চে এই সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৪৫ লাখ।

গত আগস্টে শহরের বস্তি ও গ্রামের চার হাজার ৮৭২ পরিবারের মধ্যে জরিপটি চালানো হয়। এর আগের জরিপগুলো গত বছরের এপ্রিল, জুন এবং চলতি বছরের মার্চে পরিচালিত হয়েছিল।

চতুর্থ জরিপে দেখা যাচ্ছে, গত মার্চের তুলনায় গত আগস্টে শহরের বস্তিবাসীর আয় কমেছে ১৮ শতাংশ আর গ্রামের মানুষের আয় কমেছে ১৫ শতাংশ। স্বল্পশিক্ষিত ও দরিদ্রদের দুই-তৃতীয়াংশ জানিয়েছে, তারা প্রত্যাশিত কাজ পায়নি। প্রথমবার লকডাউনে ৪৫ শতাংশ পরিবার সামান্য পরিমাণ ত্রাণ সহায়তা পেলেও দ্বিতীয়বার লকডাউনে এই সহায়তা নেমে এসেছে ২৩ শতাংশে।

করোনা মহামারির কারণে অনেকে চাকরি হারিয়েছেন। ফলে ওই ১৮ মাসে আয়ের অনিশ্চয়তা নিয়ে মানুষের জীবনযাপনের ঝুঁকি বেড়েছে। অনেকে পেশা পরিবর্তন করে বিকল্প আয়ের চেষ্টা করেছেন। দক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এমন পেশায়ও যুক্ত হয়েছেন অনেকে।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, আবারও করোনার নতুন ঢেউ আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসনিক এবং অর্থনৈতিক নীতিমালার সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ক্ষতি কমিয়ে আনা কষ্টকর হবে। এটা মনে রাখা প্রয়োজন, কোনো ধরনের নীতি তৈরি না করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সঠিকভাবে সাহায্য করা যাবে না। শহরে বড় আকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, সিএসএমই পুনরুদ্ধারে বাজেটসমৃদ্ধ পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যাতায়াত, দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধি ইত্যাদি মাথায় রেখে সামষ্টিক নীতিমালা প্রণয়নে নজর দিতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ