রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দেশেই করোনা ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়া চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক (এমপি) বলেছেন, করোনা ভ্যাকসিন দেশেই তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীও ভ্যাকসিন তৈরিতে অত্যন্ত আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন বাংলাদেশেই করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হোক এবং ভ্যাকসিনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হই। অন্যান্য ওষুধের মতো ভ্যাকসিনও যাতে বিদেশে রপ্তানি করতে পারি সেই স্বপ্ন আমরা দেখি।

মন্ত্রী বলেন, করোনা প্রতিরোধে ইতোমধ্যেই আমরা করোনা ভ্যাকসিনের প্রায় ৭ কোটি ডোজ টিকা দিতে সক্ষম হয়েছি। এটা দেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমার অন্যতম কারণ। প্রত্যেক মাসে ভ্যাকসিন কার্যক্রম আরো জোরদার করা হচ্ছে। এ মাসেই আরো ৩ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া যাবে বলে আমি আশা করছি। তিন কোটি ডোজ টিকা দিতে পারলে আরো প্রায় দুই কোটি লোক টিকা পেয়ে যেতে পারে। ২১ কোটি টিকা ক্রয় করা হয়েছে। সিরিঞ্জও বিদেশ থেকে ক্রয় করেছি। আমরা সিডিউল অনুযায়ী সেগুলো পাচ্ছি। নতুন করে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন কার্যক্রম গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

রোববার দুপুরে গাজীপুরে কাশিমপুরের সুরাবাড়ীস্থ ডিবিএল ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ নির্দেশে ও দিকনির্দেশনায় আমরা করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করেছি। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিভাগসহ দেশের সকল মানুষ কাজ করেছে। তার সহযোগিতায় চিকিৎসক-নার্সসহ হাসপাতাল সার্ভিস, অক্সিজেন, ওষুধ, ভ্যাকসিন চিকিৎসা সামগ্রী প্রাপ্তির কারণেই দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমে এসেছে। এ দেশে একজনের মৃত্যু দিয়ে করোনা শুরু হয়েছিল। করোনায় প্রায় পৌণে তিনশ’ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা আনন্দিত যে গতকালই মৃত্যুর হার সেই একজনে নেমে এসেছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বিধায় দেশের জীবন যাত্রা প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসছে। আমরা এটা স্বাভাবিক রাখতে চাই। এটা সম্ভব হবে যদি আমরা সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। তাহলেই অল্প সময়ের মধ্যেই মৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে আমি আশা করি। তিনি এজন্য সবাà